Namecheap.com
Published On: Mon, Nov 13th, 2017

১০ মিনিট ঘরে তেজপাতা পোড়ালে যা হয় – জানলে আপনিও প্রতিদিন করবেন

১০ মিনিট ঘরে তেজপাতা পোড়ালে যা হয়? শিরোনাম পড়ে নিশ্চয়ই মনে হচ্ছে, এ কী আজব কথা! স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আবার তেজপাতাও পোড়াতে হবে নাকি? আরো কত কী যে শুনব? মজার বিষয়ই বটে! তবে আপনি কি জানেন, শতাব্দী ধরে তেজপাতা নিরাময়কারী এবং স্বাস্থ্যকর ভেষজ পাতা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে?

কেবল তেজপাতা খেলে বা ব্যবহার করলেই নয়, পোড়ালেও কিন্তু অনেক উপকার পাওয়া যায়। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড ট্রিকসে জানা গেল এই তথ্য।

একটি ছাইদানিতে কয়েকটি তেজপাতা নিয়ে ১০ মিনিট ধরে পোড়ান। এতে পাতা পুড়বে, পুড়বে এর মধ্যে থাকা এসেনশিয়াল অয়েলও। ধীরে ধীরে দেখবেন ঘরে সুগন্ধ ছড়াচ্ছে। ফলে গন্ধ মনকে সজীব করে দেবে। এটি মন ও শরীরকে প্রশমিত করতে সাহায্য করবে। এতে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমবে।

প্রাচীন গ্রিক ও রোমানরা তেজপাতাকে পবিত্র ওষুধ বলত। বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে একে ব্যবহার করা হতো। সারা পৃথিবীতে অনেকেই এই পাতাকে মসলা হিসেবে ব্যবহার করেন। রান্নার স্বাদ বাড়াতে এবং সুগন্ধ আনতে এর ব্যবহার করা হয়।

তেজপাতার মধ্যে রয়েছে পিনেনে ও সাইনিয়ল নামে দুটি উপাদান। রয়েছে এসেনশিয়াল অয়েল। এর মধ্যে রয়েছে সাইকোঅ্যাকটিভ পদার্থ। তেজপাতা চিবালে এসব পদার্থ পাওয়া যায়।

এ ছাড়া এতে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক, ডিওরেটিক, স্যাডেটিভ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি মেজাজকে ভালো করে। তেজপাতা পাকস্থলীর ফ্লু নিরাময়েও সাহায্য করে।

তেজপাতার মধ্যে আরো রয়েছে অ্যান্টিরিউম্যাটিক উপাদান। তেজপাতার এসেনশিয়াল অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করলে মাথাব্যথা কমে।

অন্যরা যা পড়ছে

আমাদের যে বদঅভ্যাস চেহারায় এনে দিচ্ছে বয়সের ছাপ সহ নানা সমস্যা

আপনি হয়তো বিস্মিত হতে পারেন এই কথা ভেবে যে, ঠিক কোন বদঅভ্যাসটির জন্যে চেহারার মাঝে দ্রুত বয়সের ছাপ চলে আসা সহ নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে! সঠিক খাদ্যাভাসের সমস্যা, পানি কম খাওয়ার সমস্যা, নাকি ঘুম কম হবার সমস্যা? এই সকল কারণ অবশ্যই চেহারার লাবণ্য নষ্ট করার জন্য এবং মুখের ত্বকের নানান রকম সমস্যা তৈরির জন্যে দায়ী। তবে আজকে যে বদঅভ্যাস নিয়ে কথা বলা হবে সেটি হলো- মুখের মেকআপ একেবারেই না তুলে অথবা ঠিকভাবে না তুলে রাতে ঘুমিয়ে যাওয়া!

বাইরে থেকে এসে ক্লান্তি অথবা অলসতার জন্যে সময় নিয়ে ভালোভাবে মুখের মেকআপ না তুলেই ঘুমিয়ে পড়ার মতো ঘটনা নিশ্চয় অনেকবারই হয়েছে । কিন্তু, সামান্য এই একটি বাজে অভ্যাসের জন্যেই চেহারার মাঝে খুব দ্রুত বয়সের ছাপ চলে আসবে এবং মুখের ত্বকের বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দেওয়া শুরু করবে খুব কম বয়সেই। জেনে নিন মুখে মেকআপ থাকা অবস্থাতেই রাতে ঘুমিয়ে পড়ার ফলে মুখের ত্বকে কি ধরণের সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে।

১/ ত্বকে নতুন করে ব্রণের উৎপত্তি দেখা দেয়

মুখের ত্বকের উপর পুরু মেকআপের আস্তরণ থাকার ফলে মুখের পোরস বা রোমগ্রন্থি বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে ত্বকে ব্রণ এবং প্রদাহের সৃষ্টি হয়।

২/ চেহারার মাঝে দ্রুত বয়সের ছাপ চলে আসে

এটা কোন ভুল ধারণা হয় এবং গবেষণা থেকেই প্রমাণিত যে, প্রতিদিন রাতে মুখের ত্বক নতুনভাবে তৈরি হয়! কিন্তু এই মুখের ত্বক যদি ভালোভাবে পরিষ্কার না থাকে তবে মুখের ত্বকে বয়সের ছাপ চলে আসে খুব দ্রুত। এতে করে চেহারায় কোঁচকানো ভাব এবং দাগ পড়ে যায়।

৩/ ত্বকের পুষ্টি যোগানোর মাত্রা কমে যায়

যেহেতু এটা প্রমাণিত যে রাতের বেলা ত্বকের চামড়া নতুনভাবে তৈরি হয়, সেহেতু রাতেই ত্বকের পুষ্টি যোগাতে সবচেয়ে বেশী সাহায্য করে থাকে। রাতে যদি মুখে মেকআপ এর আস্তরণ নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তবে এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় ব্যঘাত ঘটে থাকে, যার ফলাফল চেহারার মাঝে লাবণ্য এবং কোমলতা একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। তাই রাতে মুখের মেকআপ ভালো মত তুলে কোন ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম দিয়ে হবে পুরো মুখে।

৪/ এলার্জির প্রকোপ দেখা দিতে পারে

আপনার হয়তো বা ত্বকের সুপ্ত এলার্জির সমস্যা রয়েছে যার লক্ষণ প্রকাশিত নয়। রাতের ঘুমের সময় মেকআপ মুখে নিয়ে ঘুমিয়ে যাবার ফলে এই সুপ্ত এলার্জির সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে ফেলতে পারে, যা থেকে একজিমার মত চর্মরোগও হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ত্বকের সমস্যার লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় দেরি করে। প্রাথমিক ক্ষেত্রে ত্বকে লালচে ভাব, জ্বালাপোড়া এবং চুলকানির উপদ্রব দেখা দিতে থাকে।

৫/ মেছতার সমস্যা দেখা দেওয়া

ত্বকের অন্যতম বিব্রতকর একটি সমস্যার নাম হলো মেছতা। অনেক সময় এই মেছতা এত বেশী হয় যে, ভালোমতো মেকআপ ব্যবহার করলেও মেছতার কালো দাগ দেখা দিতে থাকে। রোদের আলো অথবা বয়সের জন্যেই মেছতার সমস্যা দেখা দিতে থাকে সেটা কিন্তু নয়। মেকআপ সঠিকভাবে পরিষ্কার না করার ফলে দীর্ঘসময় ব্যাপী এলার্জির সমস্যা থেকেও মেছতার সমস্যা তৈরি হতে পারে।

৬/ ঠোঁটের চামড়া শুকিয়ে ফেলে

ঠোঁটে লিপগ্লস কিংবা লিপস্টিক দিয়ে ঘুমিয়ে গেলে ঠোঁটের চামড়ার আর্দ্রতা অনেক বেশি কমে যায়। যার ফলে ঠোঁটের চামড়া একদম শুকিয়ে যায় এবং ঠোঁট ফেটে যায়।

৭/ চোখের নীচে ফোলাভাব তৈরি করে

রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ও চোখের মেকআপ ভালোভাবে না তুললে চোখের নীচে শুধুই যে কালো দাগ (ডার্ক সার্কেল) এর সৃষ্টি হয় তাই কিন্তু নয়, চোখের নীচে ফুলেও যায়।

৮/ চোখের পাপড়ি পড়ে যেতে থাকে

চোখের সাজের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো মাশকারা ব্যবহার করা। কিন্তু মাশকারা চোখের পাপড়িতে থাকা অবস্থাতেই যদি রাতে ঘুমিয়ে পড়ে কেউ, তবে মাশকারা অনেক বেশী শুকিয়ে যায়। যার ফলে চোখের পাপড়ি ঝরে পড়ে অনেক বেশী। মাশকারা চোখের পাপড়ি থেকে তোলার জন্য তুলার বলের সাহায্যে চোখের নীচের দিকে টেনে এরপর মাশকারা তুলতে হয়। এলোপাথাড়ি ভাবে ঘষে নয়।

নিজের চেহারাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে চাইলে মেকআপ অবশ্যই খুব দারুণ একটা ব্যাপার। তবে সবার আগে নিজের ত্বকের প্রতি হতে হবে অনেক বেশী যত্নশীল। যে কারণে, অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের মেকআপ ব্যবহার করতে হবে এবং রাতে ঘুমাতে যাবার আগে পুরো মুখের মেকআপ ভালোভাবে তুলে এরপর ঘুমাতে হবে।

Read also:

সুস্বাস্থ্যের জন্য সকালের নাশতায় কী খাবেন?

সকালের নাশতা অনেকেই ঠিকমতো খেতে চান না। আর এ কারণে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা গ্রাস করে।

তবে সকালে পুষ্টিকর নাশতা খাওয়া সম্ভব হলে বহু স্বাস্থ্যগত সমস্যা দূর করা সম্ভব হবে। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কিছু খাবারের কথা-

ডিম
প্রতিদিন সকালের নাশতায় ডিম খেলে সুস্বাস্থ্য ধরে রাখা সম্ভব বহুদিন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে একজন সুস্থ মানুষ যদি প্রতিদিন একটি করে ডিম খায় তাহলে বহু শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ডিমে ভিটামিন বি গ্রুপের বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬ ও বি ১২ আছে। এ ছাড়াও কোলাইন, বায়োটিন ও ফলিক এসিড আছে ডিমে যা স্মৃতিশক্তি ভালো রাখে। ডিমে উপস্থিত লুটেইন ও জিয়াক্সানথিন নামক প্রোটিন চোখ ভালো রাখতে সহায়তা করে।

আঙুর
আঙুর সুস্বাস্থ্য ধরে রাখার জন্য খুবই উপকারী ফল। নিয়মিত আঙুর খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়ে যায়। আঙুর শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে।

বিশেষ করে গাঢ় রং এর আঙুর হৃৎপিণ্ডের জন্য খুবই উপকারী।

ওট মিল
ওট মিলে আছে প্রচুর ফাইবার যা শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে দিতে সহায়তা করে। এ ছাড়াও ওটমিলে আছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা ত্বকে বলিরেখা পড়তে দেয় না এবং ত্বকের কোষকে সজীব রাখে।

সবুজ চা
সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে চাইলে সকালের নাশতার সাথে খান এক কাপ সবুজ চা। প্রতিদিন সকালের নাশতার সঙ্গে সবুজ চা খেয়ে শরীরে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায় যা বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে। চায়ে উপস্থিতি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকে বলিরেখা পড়তে দেয় না এবং ত্বকের কোষগুলোকে সজীব রাখে। সবুজ চা ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।

বেদানা
বেদানা অত্যন্ত পুষ্টিকর ও উপকারী। যারা সকালের নাশতায় চা খেতে চান না তারা খেতে পারেন বেদানা বা আনারের জুস। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে প্রতিদিন এক গ্লাস আনারের জুস খেলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না। এ ছাড়াও আনারের জুস খেলে হৃৎপিণ্ড ভালো থাকে এবং মানসিক চাপ কমে।

Displaying 1 Comments
Have Your Say
  1. md saiful says:

    thanks for your advice

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>