Namecheap.com
Published On: Sun, Jan 21st, 2018

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর করতে কী খাবেন?

দুধ

ক্যালসিয়ামের উৎস বলতে সবার আগে দুধের নামই আসে। গরুর দুধ এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রচলিত। এক কাপ দুধে রয়েছে ২৮০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। দেহের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে দুধ যথেষ্ট কার্যকর। খুব ছোট শিশুদের মায়ের দুধ থেকেই এ চাহিদা পূরণ হবে। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরুর দুধ দেওয়া যেতে পারে।

কমলা

অনেকেই কমলার ক্যালসিয়ামের কথা জানেন না। এই ফলে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ থাকে। একটি মাঝারি আকৃতির কমলায় প্রায় ৬০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম মিলবে।

 

সয়া দুধ

সয়া থেকে তৈরি হয় সয়া দুধ। যাঁরা অ্যালার্জিসহ নানা কারণে গরুর দুধ খেতে পারেন না তাঁরা সয়া দুধ খেতে পারেন। এতে ক্যালসিয়াম ছাড়াও আছে ভিটামিন ‘ডি’।

কাজুবাদাম

কাজুবাদামে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। মাত্র এক কাপ কাজুবাদামেই মিলবে প্রায় ৪৫৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। এ ছাড়া এতে উচ্চমাত্রার প্রোটিনসহ নানা পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে।

 

মাছ, মাংস ও ডিম

বাজারে যেসব মাংস পাওয়া যায় তার সব কটিতেই ক্যালসিয়াম রয়েছে। এর মধ্যে গরু, খাসি ও মুরগির মাংস, ডিম, কলিজা এবং ছোট মাছের কাঁটাতেও রয়েছে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। মলা, কাচকি, মাগুর, শিং, কই, কোরাল এবং সামুদ্রিক মাছে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।

সবুজ শাকসবজি

পালং শাক, বাঁধাকপি, শালগম, লেটুস পাতা, মাশরুমসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। তাই শাকসবজি কোনো অবস্থাতেই খাবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না।

Read also:

বেগুনের অনেক গুণ!

বেগুন খুব সস্তা একটি সবজি। শুধু তাই নয়, এর নামের সাথে ‘গুণ’ নেই। কিন্তু কাজে ঠিক উল্টো বেগুন। বেগুনের আছে অনেক গুণ। এটি খুবই স্বাস্ব্য-হিতকর একটি সবজি এবং খুবই সহজলভ্য।

আসুন, জেনে নিই, বেগুনের কত গুণ–

১.বেগুন যদি পোড়া হয়, তাহলে তো সোনায় সোহাগা। গুণে ভরা বেগুনপোড়া। পান্তাভাতের সাথে বেগুনপোড়া খেলে দারুন উপকার। ১০০ গ্রাম বেগুনে রয়েছে-০.৮ গ্রাম খনিজ, ১.৩ গ্রাম আঁশ, ১.৮ গ্রাম আমিষ, ২.২ গ্রাম শর্করা, ২৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৯ মিলিগ্রাম আয়রন, ০.১২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-১, ০.০৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-2, এবং ৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি।

২.কচি বেগুন পুড়িয়ে তাতে একটু গুড় মিশিয়ে খালি পেটে খেলে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ কমতে পারে, লিভারও ভাল রাখে।

৩.একটা বেগুন পুড়িয়ে এর সাথে মধু মিশিয়ে সন্ধ্যার সময় খেলে রাতে ভালো ঘুম হবে আপনার, সন্দেহ নেই।

 

৪.প্রতিদিন বেগুনপোড়ায় যদি একটু হিং ও রসুন মিশিয়ে খাওয়া যায়, তাহলে গ্যাসের সমস্যা কমতে পারে।

৫. উচ্চমাত্রার আঁশযুক্ত সবজি হওয়ায় রক্তে সুগার ও গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে বেগুন।

৬. কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় বেগুন। তাছাড়া, রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় বেগুন।

৭.বেগুনে বিদ্যমান পটাশিয়াম, ভিটামিন-ই ও ভিটামিন-কে শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে।

৮.বেগুনে রয়েছে রিবোফ্ল্যাভিন। তাই জ্বরের পর মুখ ও ঠোঁটের কোণে এবং জিভে ঘা হতে দেয় না বেগুন।

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>