Namecheap.com
Published On: Sun, Jan 21st, 2018

যে নতুন কৌশলে ভারতকে কাছে টানতে চান খালেদা জিয়া

ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তেতে উঠছে ঢাকার রাজনীতি। গদি ধরে রাখতে এক দিকে যেমন কৌশল রচনা করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তেমনই এ বারের ভোটে যোগ দিয়ে ক্ষমতা দখলে মরিয়া বিএনপি ও জামাতে ইসলামি জোটের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

কূটনৈতিক সূত্রের খবর, এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে গত কয়েক মাস ধরে দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন খালেদা। এ জন্য আরএসএস তথা সংঘ পরিবারের মাধ্যমে মোদী সরকারের কাছে বার্তা পৌঁছনোর চেষ্টা করছে বিএনপি-জামাত জোট।

সেই বার্তাটি হল, শুধুমাত্র ক্ষমতাসীন আওয়ামি লিগের প্রতি কূটনৈতিক পক্ষপাত বহাল না-রেখে তাদের সঙ্গেও একটা বোঝাপড়ার দিকে এগোক সাউথ ব্লক। নয়াদিল্লিকে এটা বোঝানোর চেষ্টা হচ্ছে, বিএনপি তাদের কর্মসূচিতে সর্বদা বাণিজ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে।

ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে নানা ধরনের ছাড়া দেবে তারা। পাশাপাশি বাংলাদেশে সংখ্যালঘু অধিকারের বিষয়টি নিয়েও এ বারে যে তারা তৎপর হতে চায়, সে কথাও দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

 

সূত্রের খবর, এ বিষয়ে নাগপুরে আরএসএস-এর একটি অংশের সঙ্গে বিএনপি-র কয়েক জন প্রতিনিধি সম্প্রতি দেখা করে এসেছেন। তা ছাড়া গত বছরের শেষে খালেদা জিয়া যখন লন্ডনে যান, সেখানেও সঙ্ঘের প্রবাসী কিছু নেতার সঙ্গে কথা হয় তার।

ভারতের বিদেশ মন্ত্রক বা বাংলাদেশ হাইকমিশন— প্রকাশ্যে অবশ্য কোনও পক্ষই এই ধরনের বৈঠকের কথা স্বীকার করছে না। বিএনপি-ও সঙ্গত কারণেই এ নিয়ে চুপ। কিন্তু আরএসএস সূত্র জানাচ্ছে, দিল্লির সঙ্গে তারা একটা বোঝাপড়ায় আগ্রহী বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতৃত্ব।

খালেদা জিয়ার দল মোদী সরকারকে বোঝানোর চেষ্টা করছে, হাসিনা সরকারের সময়ই বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সব চেয়ে বেশি অত্যাচার হয়েছে এবং এখনও হয়ে চলেছে। মন্ত্রিসভায় অথবা জাতীয় সংসদে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব নামমাত্র।

বিএনপি ঘরোয়া ভাবে এ কথাও আরএসএস-কে জানিয়েছে যে তারা অন্তত ৫০ জন সংখ্যালঘু প্রার্থীকে আগামী ভোটে প্রার্থী করতে ইচ্ছুক। ক্ষমতায় এলে মন্ত্রিসভায় হিন্দু প্রতিনিধিত্বও এখনকার থেকে বেশ খানিকটা বেশি থাকবে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় অবশ্য জানাচ্ছে, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ভারত নাক গলায় না। কোনও রাষ্ট্রে যখন যে দলের সরকার থাকে, নয়াদিল্লি তার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বাংলাদেশে এর আগে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, ভারত তাদের সঙ্গেও সম্পর্ক বহাল রেখে চলেছে।

Read also:

ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা সিরিজের ম্যাচগুলোর তারিখ পরিবর্তন করে নতুন তারিখ ঘোষণা

শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতা দিবসের ৭০ বছর উপলক্ষে কলম্বোর মাটিতে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজের আয়োজন করতে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। আর সেই সিরিজের নাম দেয়া হয়েছে নিধাস ট্রফি। এই ত্রিদেশীয় সিরিজের শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি খেলবে বাংলাদেশ ও ভারত।

আপাতত বাংলাদেশে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলছে শ্রীলঙ্কা। এরপর বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে যাবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা। ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে এ সিরিজ অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল ৮ই মার্চ। তবে সেই তারিখ পরিবর্তন করে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন সূচিতে টুর্নামেন্টের পর্দা উঠবে আগামী ৬ই মার্চ।

 

মূলত রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্ট। সিরিজের এই তিনটি দল একে অপরের বিপক্ষে খেলবে দু’বার করে। শীর্ষ দুই দল পরবর্তীতে খেলবে ফাইনাল। আর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৮ মার্চ। সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে।

পরিবর্তিত সূচিঃ
৬ মার্চ- শ্রীলঙ্কা-ভারত
৮ মার্চ- বাংলাদেশ-ভারত
১০ মার্চ- শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ
১২ মার্চ- ভারত-শ্রীলঙ্কা
১৪ মার্চ- ভারত-বাংলাদেশ
১৬ মার্চ- বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা
১৮ মার্চ- ফাইনাল

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>