Namecheap.com
Published On: Mon, Jun 4th, 2018

সেই পতাকার স্মৃতি খুব মনে পড়ে আর্জেন্টাইন ক্রুসিয়ানির

এক আর্জেন্টাইনের প্রশ্ন এটি। এক সময় বাংলাদেশে কাজ করেছেন। বিশ্বকাপের উন্মাদনা দেখেছেন খুব কাছে থেকে। অবাক হয়ে বাসা-বাড়ির ছাদে উড়তে দেখেছেন নিজ দেশসহ অন্যান্য দেশের জাতীয় পতাকা। অনুভব করেছেন তাঁর দেশের জন্য বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা। বাংলাদেশ ছেড়েছেন বহুদিন হয়ে গেছে। বিশ্বকাপ এলেই তাঁর মনে পড়ে পুরোনো সেই দিনের কথা। ভালোবাসার জাদুমন্ত্রের প্রভাব যে এত সহজে ফুরিয়ে যাওয়ার নয়!

যে মানুষটির কথা বলা হচ্ছে, তাঁর নাম ডিয়েগো আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানি। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক কোচ। ২০০৫ সালে দায়িত্ব নিয়েছিলেন আলফাজ-হাসান আল মামুন-মতিউর মুন্নাদের। করাচিতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তুলেছিলেন বাংলাদেশকে। কিন্তু ২০০৬ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপের ব্যর্থতার পরপরই বরখাস্ত হয়ে যান। ২০০৭ সালে অবশ্য আবাহনীর কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিন্তু এরপর আর বাংলাদেশে আসা হয়নি। ১১ বছর পরেও বাংলাদেশকে মনে রেখেছেন ক্রুসিয়ানি। নাহ্, নেতিবাচক কোনো কারণে নয়। এ দেশের মানুষ যে তাঁর দেশ আর্জেন্টিনাকে কত ভালোবাসে—এই ব্যাপারটাই কখনো ভুলতে পারেন না জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই কোচ।

বিশ্বকাপের সময় পতাকার উৎসব শুরু হয় বাংলাদেশে। সংখ্যায় বেশি থাকে আর্জেন্টিনার পতাকাই। ছবি: এএফপিবিশ্বকাপের সময় পতাকার উৎসব শুরু হয় বাংলাদেশে। সংখ্যায় বেশি থাকে আর্জেন্টিনার পতাকাই। ছবি: এএফপি২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপের সময় অবাক হয়ে লক্ষ্য করলেন ঢাকার বাড়িঘরের ছাদে উড়ছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানি প্রভৃতি দেশের পতাকা। এর মধ্যে আর্জেন্টিনার পতাকার সংখ্যাই বিস্মিত করল তাঁকে—আকাশি নীল-সাদা রঙের এত পতাকা বোধ হয় বুয়েনেস এইরেসেও কখনো দেখেননি ক্রুসিয়ানি।বাংলাদেশ থেকে ফেরার পর বিভিন্ন সময়ে তিনি কাজ করেছেন মালদ্বীপ, ক্যামেরুন ও চিলিতে। বর্তমানে আছেন নিজ দেশের একটি জুনিয়র দলের সঙ্গে। বিশ্বকাপে দুয়ারে। বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে গল্পে-আড্ডায় প্রায়ই উঠে আসে বাংলাদেশ-প্রসঙ্গ, ‘আমি বাংলাদেশে এত আর্জেন্টিনার পতাকা দেখেছি, সেটা কখনোই ভুলতে পারি না। আমি আমার বন্ধু-বান্ধবদের প্রায়ই সেটা বলি। ওরা অবাক হয়। বিশ্বকাপ এলেই ব্যাপারটা মনে পড়ে বেশি। আচ্ছা, এবারও কী অনেক আর্জেন্টিনার পতাকা ওড়ানো হয়েছে?’ডিয়েগো ম্যারাডোনার সাবেক স্ত্রী ক্লদিয়াকে খুব ভালো চেনেন ক্রুসিয়ানি। নিজের বাংলাদেশ-অভিজ্ঞতা একবার নাকি তাঁর কাছে বর্ণনা করেছিলেন। ক্লদিয়া তাঁর কাছ থেকে বাংলাদেশের একটি ছবিও চেয়ে নিয়েছিলেন। পরে সেটি নাকি ম্যারাডোনাকে দেখান। বাংলাদেশের বাড়ির ছাদে অজস্র আর্জেন্টাইন পতাকা অবাক করেছিল ফুটবল কিংবদন্তিকেও। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কও নাকি বলেছিলেন খোদ আর্জেন্টিনার মাটিতেও এত আর্জেন্টাইন পতাকা তিনি দেখেননি।

Read also:যারা সকাল বেলায় লেবুজল পান করেন, জেনে নিন তার ফলাফল কতটা মারাত্মক হতে পারে…লেবুজল পান করেন- অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা লেবুজল পান করার সময় চোখ মুখ কুঁচকে এক অদ্ভুত অভিব্যক্তি প্রকাশ করে থাকি। যদিও আমরা প্রায় সকলেই বিশ্বাস করি সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস লেবু জল পান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ভালো।লেবুর রস গরম জলের সাথে মিশিয়ে সেই মিশ্রণ সকালে এক গ্লাস খেলে আমাদের শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সহায়তা করে ।কোন সন্দেহ নেই এটি একটি অবাক করা পদ্ধতি যা সাম্প্রতিক আবিস্কৃত হয়েছে। এই পদ্ধতির গুণাবলীও বহুবিধ কিন্তু এই মিশ্রণ প্রস্তুতিকরনের ক্ষেত্রে একটি ভুল পন্থা অবলম্বন করা হয়ে থাকে।আপনিও সাবধান হোন, পরের বার এই মিশ্রণ তৈরির ক্ষেত্রে যাতে কোন ভুলচুক না হয়।সঠিক মিশ্রণ সেবন করুন ও উপকার পান ।সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে লেবু জল পান করা আমাদের শরীরের বহুবিধ উপকার সাধনে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়াতে সহায়তা করে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্যতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরের মেদ কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও এই পানীয়টি ঠান্ডা লাগা, জ্বর ও সর্দি কাশির হাত থেকেও আমাদের প্রতিরোধ করে।এই লেবুর জুস আমাদের শরীরে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ভিটামিনের জোগান দেয় এবং এর ফলে আমাদের স্বাস্থের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে ।তাই তো আমরা বলি প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস লেবু জল পান করুন কিন্তু তা তৈরি করার পদ্ধতি যেন সঠিক হয় ।ছবিতে দেখানো লেবু জল প্রস্তুতের পদ্ধতিটি ভুল আছে কারন এর মধ্যে লেমন পিল ব্যবহার করা হয়নি ।লেবুর টুকরো বা পিল পুরো ফলের সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশ তাই এটি ব্যবহার করুন।লেবুটিকে পিস পিস করে কাটুন এরপর সেগুলির রস বের করে জলের সাথে মিশিয়ে নিন, এছাড়াও রস বেরোনোর পরে লেবুর একটি থকথকে অংশ থাকে সেটিকেও লেবুর জলের সাথে মিশিয়ে দিন। মিশ্রণের জল যেন গরম হয়। এরপর ওই মিশ্রণ সেবন করুন ।তাই বলি সঠিক পদ্ধতিতে এই পানীয়টি প্রস্তুত করুন এবং তার উপকারিতা পান ॥