Namecheap.com
Published On: Sun, Jun 24th, 2018

১ গ্লাস ‘হলুদ’ জল…কারণ জানলে আজ থেকেই খাবেন!

এখন মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন। শরীর সুস্থ রাখতে ব্যস্ত শেডিউলের মধ্যে থেকেও যোগব্যায়াম বা অ্যারোবিক্সের জন্য কিছুটা সময় বের করে নেন অনেকেই। তবে অনেকে আবার এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হলেও, অনেক সময়ই কাজের চাপে স্কিপ করতে বাধ্য হন ওয়ার্ক-আউট। দুটি ক্ষেত্রের মানুষদেরই বলছি, আজ আপনাদের একটা দুর্দান্ত জিনিসের সন্ধান দেব। দিনে এক ঘণ্টা ওয়ার্ক-আউট করে যে সুফল পান, তা পেতে পারেন রোজ এই তরলটিকে খাদ্য তালিকায় নিয়ে এলে। হলুদের সরবত।

রান্নার অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই উপাদানের গুণের ব্যাপারে আমরা প্রত্যেকেই কম-বেশি ওয়াকিবহাল। স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা থেকে শুরু করে ক্যানসারের মতো রোগ মোকাবিলায় হলুদের জুড়ি মেলা ভার। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় প্রকাশ্যে এসেছে হলুদের আরও উপকারিতার কথা। আমেরিকান জার্নাল অফ কার্ডিয়োলজিতে প্রকাশিত ওই গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, কার্ডিয়োভাসকুলার সিস্টেমের জন্য দারুণ উপকারী হলুদ। হলুদের রস খেলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা ৫৬% কমে যাবে। এক ঘণ্টা জগিং বা অ্যারোবিক্সে শারীরিক সিস্টেম যতটা সচল হয়, তা একাই করে দিতে পারে হলুদের রস। হার্ট, রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি হলুদ বিশেষ কার্যকরী সেইসব মহিলাদের জন্য যাঁদের সদ্য মেনোপজ হয়েছে। কারণ এই সময়টায় মহিলাদের মধ্যে হার্টের ও অন্যান্য সমস্যার প্রবণতা দেখা দেয়।

কীভাবে খাবেন? হৃদয়কে সুস্থ রাখতে হলে হলুদকে কীভাবে কাজে লাগাবেন তা দেখে নিন… * গবেষণার রিপোর্ট বলছে, হার্টের সমস্যা দূর করতে রোজ খেতে হবে ১২৫ মিলিগ্রাম হলুদের রস। এভাবে খেয়ে যেতে হবে ৮ সপ্তাহ। * শরীর সুস্থ রাখতে রোজ এক চামচ হলুদ খান। অথবা বিকল্প হিসেবে বাজার থেকে হলুদের রসের ক্যাপসুলও কিনে খেতে পারেন। * স্বাস্থ্যকর জীবন পেতে খাবারে বা চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন এক চিমটি হলুদ। হলুদের জুসও শরীরের পক্ষে বিশেষ উপকারী। তবে, ব্যায়ামের থেকে একেবারে মুখ না ফেরানোরই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। শরীর সুস্থ রাখতে বিকল্প পথ অবলম্বনের পাশাপাশি ওয়ার্ক-আউটও খুবই জরুরি বলে মত গবেষকদেরও।

Read also:

যারা সকাল বেলায় লেবুজল পান করেন, জেনে নিন তার ফলাফল কতটা মারাত্মক হতে পারে…

লেবুজল পান করেন- অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা লেবুজল পান করার সময় চোখ মুখ কুঁচকে এক অদ্ভুত অভিব্যক্তি প্রকাশ করে থাকি। যদিও আমরা প্রায় সকলেই বিশ্বাস করি সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস লেবু জল পান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ভালো।লেবুর রস গরম জলের সাথে মিশিয়ে সেই মিশ্রণ সকালে এক গ্লাস খেলে আমাদের শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সহায়তা করে ।কোন সন্দেহ নেই এটি একটি অবাক করা পদ্ধতি যা সাম্প্রতিক আবিস্কৃত হয়েছে। এই পদ্ধতির গুণাবলীও বহুবিধ কিন্তু এই মিশ্রণ প্রস্তুতিকরনের ক্ষেত্রে একটি ভুল পন্থা অবলম্বন করা হয়ে থাকে।আপনিও সাবধান হোন, পরের বার এই মিশ্রণ তৈরির ক্ষেত্রে যাতে কোন ভুলচুক না হয়।সঠিক মিশ্রণ সেবন করুন ও উপকার পান ।সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে লেবু জল পান করা আমাদের শরীরের বহুবিধ উপকার সাধনে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়াতে সহায়তা করে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্যতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরের মেদ কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও এই পানীয়টি ঠান্ডা লাগা, জ্বর ও সর্দি কাশির হাত থেকেও আমাদের প্রতিরোধ করে।এই লেবুর জুস আমাদের শরীরে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ভিটামিনের জোগান দেয় এবং এর ফলে আমাদের স্বাস্থের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে ।তাই তো আমরা বলি প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস লেবু জল পান করুন কিন্তু তা তৈরি করার পদ্ধতি যেন সঠিক হয় ।ছবিতে দেখানো লেবু জল প্রস্তুতের পদ্ধতিটি ভুল আছে কারন এর মধ্যে লেমন পিল ব্যবহার করা হয়নি ।লেবুর টুকরো বা পিল পুরো ফলের সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশ তাই এটি ব্যবহার করুন।লেবুটিকে পিস পিস করে কাটুন এরপর সেগুলির রস বের করে জলের সাথে মিশিয়ে নিন, এছাড়াও রস বেরোনোর পরে লেবুর একটি থকথকে অংশ থাকে সেটিকেও লেবুর জলের সাথে মিশিয়ে দিন। মিশ্রণের জল যেন গরম হয়। এরপর ওই মিশ্রণ সেবন করুন ।তাই বলি সঠিক পদ্ধতিতে এই পানীয়টি প্রস্তুত করুন এবং তার উপকারিতা পান ॥