Namecheap.com
Published On: Sun, Jun 24th, 2018

মুখের ভিতরে ঘা? নিস্তার পাবেন এই ৪ ঘরোয়া টোটকায়

আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় অনেকের মুখেই আলসার বা ঘা হয়। কখনও গালের ভিতরে, কখনও মাড়ির গোড়ায় কখনও আবার ভিতরের ঠোঁটের নীচে। ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন, আলসারের বিড়ম্বনা। খাবার তো কোন দূর, ক’দিন জল খাওয়াও ঝকমারি হয়ে দাঁড়ায়।
মুক্তির ‘মুশিকল আসান’ আপনার নাগালেই। নীচে তেমনই চার ঘরোয়া টোটাকা। ফটকিরি: আলসারের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে হাতের কাছে থাকা ফটকিরি ব্যবহার করতে পারেন। পরিষ্কার এক টুকরো ফটকিরি জলে ভিজিয়ে নিয়ে আলসারের জায়গায় ঘষুন। দিনে দু-বার করে ফটকিরি ব্যবহার করলে নিশ্চিত উপকার পাবেন।

বেকিং সোডা: মুখের ভিতরের আলসার নিরাময়ের ক্ষেত্রে বেকিং সোডা খুব ভালো টোটকা। এক গ্লাস হালকা গরম জলে একচামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে ভালো করে কুলকুচি করুন। দিনে বার কয়েক এ ভাবে বেকিং সোডা দিয়ে মুখ ধুলে, আলসারের হাত থেকে নিস্তার পাবেন। টি ব্যাগ: মুখের আলসারে টি ব্যাগও অত্যন্ত কার্যকরী ওষুধ। চা পাতার ট্যানিক অ্যাসিড আলসারের যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি দেয়। চা তৈরির পর টি ব্যাগটি ফেলে না-দিয়ে, ঘায়ের জায়গায় গরম গরম সেঁক দিন। স্বস্তি পাবেন। টি ট্রি অয়েল: যে কোনও ওষুধের দোকানে আপনি টি ট্রি অয়েল পেয়ে যাবেন। মুখের আলসার নিরাময়ে টি ট্রি অয়েলও ভালো কাজ দেয়। একটা পাত্রের ৯০% জল নিয়ে ১০% টি ট্রি অয়েল মেশান। দু-বার করে এই মিশ্রণটি দিয়ে কুলকুচি করুন। আরাম পাবেনই। ঘাও থাকবে না।

Read also:

যারা সকাল বেলায় লেবুজল পান করেন, জেনে নিন তার ফলাফল কতটা মারাত্মক হতে পারে…

লেবুজল পান করেন- অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা লেবুজল পান করার সময় চোখ মুখ কুঁচকে এক অদ্ভুত অভিব্যক্তি প্রকাশ করে থাকি। যদিও আমরা প্রায় সকলেই বিশ্বাস করি সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস লেবু জল পান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ভালো।লেবুর রস গরম জলের সাথে মিশিয়ে সেই মিশ্রণ সকালে এক গ্লাস খেলে আমাদের শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সহায়তা করে ।কোন সন্দেহ নেই এটি একটি অবাক করা পদ্ধতি যা সাম্প্রতিক আবিস্কৃত হয়েছে। এই পদ্ধতির গুণাবলীও বহুবিধ কিন্তু এই মিশ্রণ প্রস্তুতিকরনের ক্ষেত্রে একটি ভুল পন্থা অবলম্বন করা হয়ে থাকে।আপনিও সাবধান হোন, পরের বার এই মিশ্রণ তৈরির ক্ষেত্রে যাতে কোন ভুলচুক না হয়।সঠিক মিশ্রণ সেবন করুন ও উপকার পান ।সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে লেবু জল পান করা আমাদের শরীরের বহুবিধ উপকার সাধনে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়াতে সহায়তা করে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্যতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরের মেদ কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও এই পানীয়টি ঠান্ডা লাগা, জ্বর ও সর্দি কাশির হাত থেকেও আমাদের প্রতিরোধ করে।এই লেবুর জুস আমাদের শরীরে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ভিটামিনের জোগান দেয় এবং এর ফলে আমাদের স্বাস্থের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে ।তাই তো আমরা বলি প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস লেবু জল পান করুন কিন্তু তা তৈরি করার পদ্ধতি যেন সঠিক হয় ।ছবিতে দেখানো লেবু জল প্রস্তুতের পদ্ধতিটি ভুল আছে কারন এর মধ্যে লেমন পিল ব্যবহার করা হয়নি ।লেবুর টুকরো বা পিল পুরো ফলের সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশ তাই এটি ব্যবহার করুন।লেবুটিকে পিস পিস করে কাটুন এরপর সেগুলির রস বের করে জলের সাথে মিশিয়ে নিন, এছাড়াও রস বেরোনোর পরে লেবুর একটি থকথকে অংশ থাকে সেটিকেও লেবুর জলের সাথে মিশিয়ে দিন। মিশ্রণের জল যেন গরম হয়। এরপর ওই মিশ্রণ সেবন করুন ।তাই বলি সঠিক পদ্ধতিতে এই পানীয়টি প্রস্তুত করুন এবং তার উপকারিতা পান ॥