Published On: Tue, Oct 24th, 2017

উত্তেজনাকর খবর: বম্বার মোতায়েন, যেকোন মুহূর্তে হামলা

উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত দুটি দেশ, চলছে পাল্টাপাল্টি হুকি। আর তারই জের ধরে যেকোনো সময় পরমাণু অস্ত্র নিক্ষেপে সক্ষম বোমারু বিমান প্রস্তুত রাখছে যুক্তরাষ্ট্র। মুহূর্তের নোটিশে পরমাণু অস্ত্র ছোঁড়ার জন্য কার্যত প্রস্তুত থাকবে ওয়াশিংটন।

প্রসঙ্গত, কোল্ড ওয়ারের পর এই প্রথম এমন ব্যবস্থা করতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র। মুহূর্তের নোটিশে পরমাণু অস্ত্র ছোঁড়ার জন্য কার্যত প্রস্তুত থাকবে ওয়াশিংটন।  বার্কসডেল এয়ার বেসে মোতায়েন করা হবে এই B-52s বম্বারকে।

 

এ ব্যাপারে মার্কিন জেনারেল ডেভিড গোল্ডফেন জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টার জন্য সজাগ থাকবে ওই বোমারু বিমান। নির্দেশ পেলেই উড়ে যাবে আকাশে। ১৯৯১-এর পর এই প্রথম এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। এছাড়া এই বিমানের জন্য ওই এয়ারবেসটিকেও বিশেষভাবে সাজানো হচ্ছে বলেও জানা গেছে।

জেনারেল গোল্ডফেন আরও বলেন, এইভাবে আসলে যুক্তরাষ্ট্র বার্তা দিতে চাইছে যে ‘আমরা প্রস্তুত’। উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর দেশের সামরিক প্রধানদের সঙ্গে দেখা করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ঝড়ের আগে শান্ত থাকুন’। আর তার কয়েকদিনের মধ্যেই এরকম একটি সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে এলো।

তবে তিনি এও জানান যে B-52s মোতায়েন করা হলেই যে সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে তা নয়। বিপক্ষে কে আছে, তার ওপর পুরো বিষয়টা নির্ভর করছে।

জানা গেছে, যদি ওই বোমারু বিমান ওড়ানোর মত পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে তার জন্য নির্দেশ দেবেন কমান্ডার অব স্ট্র্যাটেজিক কমান্ড জেনারেল জন হাইটেন ও নর্দান কমান্ডের প্রধান লোরি গিবসন। উত্তর কোরিয়া মিসাইল পরীক্ষা করে বার্তা দেওয়ার শুরু করার পর থেকে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে মার্কিন এয়ার ফোর্স।

Read also:

রোহিঙ্গাদের ঠেকাতে উগ্র বৌদ্ধদের বিক্ষোভ

বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিয়ে আসা ঠেকাতে রাখাইন রাজ্যে বিক্ষোভ করেছে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। এছাড়া তাদের সঙ্গে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে চরমপন্থি জাতীয়তাবাদীরা।

রোববার রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিটউইতে এ বিক্ষোভ করেছে তারা। বিক্ষোভকারীদের অন্যতম নেতা অং হতে’র বরাত দিয়ে মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ডেমোক্রেটিক ভয়েস অব বার্মা জানিয়েছে, রাখাইন রাজ্য ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়া বাঙালিদের অনেকেই সন্ত্রাসী।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাদের ফিরিয়ে নিয়ে আসা হলে সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ঘবে। তিনি আরও জানান, পালিয়ে যাওয়া বাঙালিদের ফিরিয়ে নিয়ে আসার প্রকল্প রাখাইনের বৌদ্ধ জনগণ মেনে নেবে না। সন্ত্রাসীদের সঙ্গে বসবাস করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন বিক্ষোভকারীদের আরেক নেতা বৌদ্ধ ভিক্ষু ইউ ধামিকা।

 

প্রসঙ্গত, গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও পুলিশের বেশ কিছু তল্লাশি চৌকিতে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসার) হামলার জেরে তাণ্ডব শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। ২৫ আগস্টের পর থেকে ছয় লাখ তিন হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা।

যাচাই-বাছাইয়ের পর নিজেদের দেশের নাগরিকদের ফেরত নেয়ার কথা জানিয়েছে মিয়ানমার। সে ক্ষেত্রে বৈধ প্রমাণাদি হাজিরের শর্ত রয়েছে। পুড়ে যাওয়া ঘরবাড়ি ফেলে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কাছে তেমন কোনো প্রমাণাদি নেই বললেই চলে।

তাছাড়া মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বও দেয়নি। সেক্ষেত্রে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়াটাও অনেকটা জটিল এবং ধোঁয়াশায় ভরা।

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

[X]