Published On: Thu, Sep 7th, 2017

দু’টি যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুতি মায়ানমারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চাই’ আহ্বান ভারতীয় সেনাপ্রধানের’

নিরস্ত্র নিরপরাধ রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর বার্মার সৈনিকদের বর্বর অত্যাচারের যে ভিডিওচিত্রগুলি আড়চোখে দেখলাম, তাতে প্রশ্ন জাগলো মনে, ১৯৭১ সালের পাক-সেনারা কি তুলনামূলকভাবে কম নিষ্ঠুর ছিলো?

১৯৭১ সালে পাকসেনাদের অত্যাচারের ভিডিও চিত্র ধারণ করা আজকের মতো সহজ ছিলো না বলে,
আমার এমনটি মনে হতে পারে।

আমি বিভিন্নসূত্রে ফেইসবুকে আপলোডকৃত মায়ানমারে ঘটতে থাকা নির্মমতার ভিডিওচিত্রগুলি আড়চোখে দেখেছি। ঐ রকমের মানব-পীড়নের দৃশ্য সোজা চোখে দেখার সাহস আমি সঞ্চয় করতে পারিনি।

 

আমার পক্ষে মায়ানমারের রাজনেতিক নেতৃত্বের ঔদ্ধত্ব এবং তার বর্বর সেনাদের এই অবিশ্বাস্য অমানবিক আচরণ মেনে নেয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমি ঘুমাতে পারছি না।

আমি মনে করি, বাংলাদেশের পক্ষে বার্মা সরকারের যথেচ্ছাচারের নীরব দর্শক হয়ে সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকার সুযোগ নেই। শয়তানদের সমুচিত জবাব দেবার জন্য এখন আমাদের সীমান্ত অতিক্রম করার সময় এসেছে। মায়ানমারের সামরিক জান্তা ও শান্তির জন্য নোবেলজয়ী অশান্তি বেগমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার কথা এখনই গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হোক। অনেক হয়েছে, আর নয়।

আমি ভগ্নবক্ষ নিয়েও সেই ন্যায়যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে রাজী আছি। আমি বিশ্বাস করি, যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববিবেক আমাদের পাশে থাকবে এবং ১৯৭১ এর মতো বার্মার বর্গীদের বর্ববতার বিরুদ্ধে আমরাই জয়ী হবো।

 

Read also:

 

দু’টি যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান ভারতীয় সেনাপ্রধানের

 

৭০ দিন চোখে চোখ রেখে ডোকাল্যান্ড সীমান্তে চীনের সেনার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল ভারতীয় সেনা। অবশেষে দুই দেশই সেনা প্রত্যাহার করেছে। এমন পরিস্থিতি আবার হতে পারে। তা মোকাবিলায় তৈরি ভারত।

বুধবার ভারতের সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত দু’টি যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া আহ্বান জানালেন দেশটির সেনাদের। তিনি জানিয়েছেন, উত্তরে চীন এবং পশ্চিমে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দু’টি যুদ্ধক্ষেত্রের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

 

সেনাপ্রধানের কথায়, ‘উত্তর প্রান্তের কথা যদি বলেন, তাহলে বলব পেশির আস্ফালন শুরু হয়েছে। আলাদা আলাদা করে ধীরে ধীরে এলাকা দখলের কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের শক্তির পরীক্ষা করে নিয়েছি। কিছু বিষয়ে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। পরিস্থিতি যে কোনও দিকে মোর নিতে পারে। আমরা প্রস্তুত।’

তিনি আরও বলেন, উত্তর প্রান্তে ভারত লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়লে তার সুযোগ নিয়ে পশ্চিমপ্রান্তে কেউ হামলা চালাতে পারে। তাই দু’টি যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

Displaying 4 Comments
Have Your Say
  1. sk.alhadi says:

    Amra muslim der pase darate cy.

  2. md tutul says:

    আমাদের অভিভাকরা যে ভাবে বাংলাকে স্বাধীন করেছিল, আমরাও চাই সেভাবে মায়ানমারের রোহিংগাদের স্বাধীন করতে।এই নিষ্ঠুর বর্বতাকে মেনে নেওয়া যায় না।

  3. আমার মনে হয় মায়ানমারের সমুচিৎ শিক্ষা দেওয়ার সময় এসেছে ।মুসলিম বিশ্ব এক সাথে ঝাপিয়ে পড়লে সফল হবে আমাদের মুসলিম ভাইরা ।

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

[X]