নাভির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নানা অবাক করা বিষয়

স্বাস্থ্য

পৃথিবী জুড়ে এমন অনেক কিছুই রয়েছে, যেগুলো সম্পর্কে ন্যূনতম কোনও ধারণাই আমাদের নেই। আজ মানবদেহের নাভি সম্পর্কে কিছু আশ্চর্যজনক তথ্য। মানব শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ নাভি। জন্মের পর মাতৃজঠরের সঙ্গে ছেদের মুহূর্তেই যা তৈরি হয়ে যায়। মা ও শিশুর যোগসূত্র। তাই নাভির সঙ্গে জড়িয়ে নানা অবাক করা বিষয়। আমরা যদি খোলা চোখে লক্ষ্য করি ছেলেরা মায়ের কোলঘেঁষা বা মায়ের সাথে সবসময় দুষ্টুমি, চাওয়া, চাহিদা, আদব, সোহাগ পৃথিবীর সবকিছুতেই মায়ের সংস্পর্শ সবচেয়ে বেশি শান্তিদায়ক। আর মেয়েরা বাবার কাছে সব কিছুতে আগ্রহ প্রকাশ করে এবং বাবার সংস্পর্শ পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি আনন্দদায়ক হয়। বিষয়টি সবাই দেখে, অনুভব করে কিন্তু সঠিক ব্যাখ্যা কেউ দিতে পারবে না।ভারতীয় সনাতন যোগশাস্ত্রে শরীরে ৭টি চক্রের কথা বলা হয়। তার মধ্যে অন্যতম নাভি চক্র। হিন্দু পুরাণ বলে বিষ্ণুর নাভিপদ্ম থেকেই মানবের সৃষ্টি। গবেষকরা মনে করেন, নাভি যে স্থানে থাকে তার উপরেই মানুষের সাঁতার কাটা বা দৌড়ানো নির্ভর করে। নাভি কুণ্ডলী সাধারণত ভিতরের দিকেই থাকে। মাত্র ৪ শতাংশ মানুষের নাভি কুণ্ডলী বাইরের দিকে। বলা হয়, আদম ও ইভের নাভি ছিল না। কারণ তারা তো মাতৃগর্ভে জন্মাননি।১. প্রতিবছর বিশ্বের প্রায় ২ লক্ষ মানুষ নাভি কুন্ডলীর প্লাস্টিক সার্জারি করান। প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার মানুষ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নাভি কুন্ডলী ভিতর দিকে করেন।২. একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ৬০ জন মানুষের নাভিতে প্রায় আড়াই হাজার আলাদা আলাদা প্রজাতির ব্যাক্টেরিয়া বসবাস করে।৩. নাভি কুন্ডলী সাধারণত বাইরের দিকেই বেরিয়ে থাকে। পৃথিবীর মাত্র ১০ শতাংশ ব্যক্তির নাভি কুন্ডলী ভিতরের দিকে।৪. অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের অনেক সময় শিশুর চাপে নাভি কুন্ডলী ভিতর থেকে বাইরের দিকে বেরিয়ে আসে।৫. প্লাস্টিক অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারি জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র বলছে, যে সব মহিলার নাভি কুন্ডলী বাইরের দিকে, তারা খুব একটা আকর্ষণীয় হন না। পুরুষদের ক্ষেত্রেও তাই।

নাভি মাসাজে রোগ উপশমনাভি মাসাজ বিভিন্ন রোগের উপশমে বড় ভুমিকা রাখে। নাভিশ্বাস মাসাজের মাধ্যমে প্রাণশক্তির সংযোগে শরীরের নিরাশয় শক্তি বৃদ্ধি পেয়ে আপনার মন ও শরীরের রোগসমূহের উপশমে সহজেই কাজ করে। নাভিশ্বাস মাসাসাজ থেরাপি সত্যি সত্যি মায়ের হাতের পরশের মত উষ্ণ, কোমল, আরামদায়ক ও আনন্দদায়ক। স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য নাভি মাসাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও মানুষ মনে করে মাসাজ শুধু আরাম এবং বিলাসিতার জন্য। নাভি মাসাজ বিষণ্নতা কমিয়ে হজম ও কিডনির কাজ ত্বরান্বিত করে।নাভি মাসাসাজ থেরাপির নিয়ম:১. ঘড়ির কাঁটার দিকে ১০ বার সমস্ত তলপেটে হাতের মৃদু স্পর্শে মাসাসাজ করুন।২. উপর থেকে নাভি পর্যন্ত ১৫ বার হাতে মাসাজ করুন।৩. কশেরুকার উপরে ডানে বামে ১০ বার হাতে মাসাজ করুন।৪. কশেরুকার ভিতরে ডানে বামে ১০ বার হাতে মাসাজ করুন।৫. নাভির দুই পাশে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ১৫ বার হাতে মাসাজ করুন।উপকারীতা:

নাভি মাসাজ কোষ্ঠকাঠিন্য ও আইবিএস দূর করে: তলপেটের পাকস্থলীর এরিয়ায় ঘড়ির কাটার দিকে হাতের মৃদু স্পর্শে মাসাজ দিবেন। এর ফলে শরীরের রক্ত প্রবাহ বেড়ে প্রবাহিত রক্ত যখন ফিরে আসে তখন পেটের হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এটা অন্ত্রকেও শিথিল করে। বিভিন্ন এনজাইম ও পাচকহরস খাদ্যের অবশিষ্টাংশকে নরম করে ভাল মলত্যাগের জন্য প্রস্তুত করে। নাভি মাসাজের সময় খাঁটি অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে শরীরের তাপমাত্রা ভাল থাকে, ত্বকের উপকার হয়, চর্বি পুড়ে নিঃশেষ হয় ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনে থাকে।পেটের গ্যাস দূরীকরণে: নাভি মাসাজ পেটের গ্যাস দূরীকরণে এক অনাবিল অনুভূতি। গ্যাস জমা হয়ে পেট ফুলে যাওয়ার ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। যখন এটি অস্বস্থিকর অবস্থার সৃষ্টি করে তখন এটি গ্যাসট্রাইটিস রোগ হিসেবে চিহ্নিত হয়। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য ও অর্জীণ রোগের সৃষ্টি করে। বেশি খাওয়া ও সঠিক হজম না হওয়াই কোষ্ঠকাঠিন্যের মূল কারণ। এক সপ্তাহ নাভি মাসাজ করলে পেটফাঁপা ভাল হয়।ওজন কমায়: নাভি মাসাজ থেরাপি চর্বি নিঃশেষ করে পেটের মেদ কমায়। নাভি মাসাজ পাকস্থলীর কর্ম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং দেহের অতিরিক্ত চর্বি পুড়িয়ে ওজন কমায়। রক্ত প্রবাহের গতি এবং হাতের মৃদু স্পর্শ পাকস্থলীর মেটাবলিজম এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি করে পেট পরিষ্কার রাখে। ফলে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমতে পারে না।

জীবনীশক্তির উন্নয়নে: জীবনীশক্তির উন্নয়নে প্রতিদিন ১ সিসি থেকে ১ গ্রাম অলিভঅয়েল হালকা গরম করে ও গোসল ও ঘুমানোর আগে ৫০ বার ঘড়ির কাঁটার দিকে ও বিপরীত দিকে নাভি মাসাজ অত্যন্ত উপকারী।মাংসপেশিকে মজবুত করে: নাভি মাসাজ মাংসপেশিকে সুদৃঢ় ও মজবুত করে এবং ব্যাক পেইন দূর হয়। যারা নাভি মাসাজ নিয়মিত করে তাদের পেটের মাংসপেশি আকর্ষণীয় হয়।মাসিকের ব্যথায় নাভি মাসাজ: মাসিকের সময় নাভি মাসাজ মেয়েদের পিরিয়ডের ব্যথা দূর করতে করতে সক্ষম। হালকা গরম লবঙ্গ তেল, দারুচিনি তেল দিয়ে দিয়ে নাভির উপর হতে তলপেট পর্যন্ত হাত দিয়ে মাসাজ করতে হবে। হাতের এই মৃদু পরশ তলপেটের মাংসপেশি ও গ্রন্থিকে শিথিল করে। ফলে পিরিয়ডের সময় তলপেটের ব্যথা ও চাকাভাব দূর হয়। তাড়াতাড়ি ব্যথা দূর করার জন্য মাসাজের উপর হালকা গরম তোয়ালে বা হট ওয়াটার ব্যাগ দিয়ে রাখুন।

ত্বকের স্বাস্থ্যের সঙ্গে নাভির যোগ শীত এলেই ত্বকের নানা সমস্যা শুরু হয়। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, ঠোঁট ফেটে যায়, ব্রুন ওঠে কখনওবা কালো ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। এসব সমস্য থেকে রেহাই পেতে আমরা কত কিছুই না করি। তারপরও শতভাগ সফলতা আসে না।তবে সৌন্দর্যবিদরা বলেছেন, ত্বকের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি নাভির যোগ আছে। সারা বছর নিয়মিত নাভির যত্ন নিলে রেহাই পেতে পারেন ত্বকের নানা সমস্যা থেকে।১. সাদা ছোপ, ব্রন: ত্বকে ব্রন, সাদা দাগের সমস্যা থাকলে নিমের তেল দিয়ে নাভি পরিষ্কার রাখুন। হালকা তেল লাগিয়ে রাখুন।২. ফাটা ঠোঁট: শীতকালে নিয়মিত নাভিতে সর্ষের তেল লাগালে ঠোঁট ফাটা সমস্যা কমে যাবে।৩. সর্দি, জ্বর: ঠাণ্ডা লেগে সর্দি, জ্বর হলে অ্যালকোহলে তুলা ভিজিয়ে নাভিতে দিয়ে রাখুন। কমে যাবে।৪. উজ্জ্বল ত্বক: দাগহীন, সুন্দর, উজ্জ্বল ত্বক কে না পেতে চায়? নিয়মিত নাভিতে আমন্ড অয়েল লাগালে পেতে পারেন উজ্জ্বল ত্বক।৫. শুষ্ক ত্বক: গোটা শীতকাল নাভিতে ঘি লাগালে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।৬. লেমন তেল: ত্বক, কালো নির্জীব দেখালে নাভিতে লেমন অয়েল লাগান।

নাভির যত্ন নিন৬৭ প্রকার জীবাণুর নিরাপদ আস্তানা হল মানুষের নাভি। দ্য বেলি বাটন বায়োডাইভার্সিটি প্রজেক্টে কাজ করতে গেয়ে গবেষকরা মানুষের নাভির মধ্যে ৬৭ রকম ব্যাক্টিরিয়ার উপস্থিতি টের পেয়েছেন। যা এতদিন অজানাই ছিল।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের শরীরের মধ্যে সবচেয়ে নোংরা জায়গাটি হল নাভি। শরীর থেকে ঘাম চুঁয়ে জড়ো হয় নাভিতে। দিনের পর দিন নাভিগর্ভেই সেই ঘাম শুকোয়। ঘামের সঙ্গেই মেশে নোংরা-ধুলো। রয়েছে মরা ত্বক। গায়ে লোশন মাখলেও তা জমে এই নাভিতেই।এইসব ব্যাক্টেরিয়া কোন ভাবে শরীরের অভ্যন্তরে প্রবেশের সুযোগ পেলে কী হবে- বুঝতে পারছেন নিশ্চয়! রোগের হাত থেকে বাঁচতে চাইলে নাভি থেকে সাবধান।নাভিতে কখন কোন তেল ব্যবহার করতে হয়

শরীরের নানারকমের সমস্যা দূর করতে আমাদের কত রকমেরই না ওষুধের সাহায্য নিতে হয়। এ ছাড়াও যারা সুস্থ থাকতে চেষ্টা করেন, তাঁরা যোগ ব্যায়াম, নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ইত্যাদি করেই থাকেন। যদিও এসব ছাড়াও এমন কিছু বিষয়ে আমাদের মনোযোগী এবং সতর্ক হওয়া উচিত, যাতে ছোটখাটো শারীরিক সমস্যাগুলি থেকেও পুরোপুরি নিষ্কৃতি পাওয়া যায়।অনেকেই আছি, যারা শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষায় শরীরে তেল মালিশ করি। যদিও তেল মালিশ করতে বেমালুম ভুলে যাই নাভিদেশে। যার ফলে নানারকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ঠিক কি কি কারণে নাভির যত্ন নেওয়া উচিত এবং এমনটা করলে কি কি উপকার পাওয়া যায়, তাই নিয়েই আজকে জানাব আপনাদের। নাভিতে নিয়মিত তেল লাগালে নানা উপকার পাওয়া যায়। যেমন…১. ত্বককে আর্দ্র রাখতে: সরষের তেল প্রাকৃতিক গুণসমৃদ্ধ হওয়ায়, ত্বকের যত্নে খুবই উপকারী ভূমিকা নেয়। তাই নিয়ম করে পেটে এবং নাভিদেশে তেল লাগালে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। প্রসঙ্গত, নাভির যত্নে নারিকেল তেল এবং অলিভ অয়েলও খুবই কাজে দেয়। কারণ এই তেলগুলিতে ফ্যাটি এসিড থাকে, যা শরীরকে চাঙা রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।এ ক্ষেত্রে কিভাবে ব্যবহার করবেন তেলকে? কয়েক ফোঁটা তেল পেটের ওপর দিয়ে ভালো করে মালিশ করতে হবে। এমনটা করলে ত্বক উজ্জ্বল এবং নরম হবে।২. ময়লা দূর করতে: নাভিতে খুব তাড়াতাড়ি ময়লা জমে। যদিও আমরা সারা শরীরের যত্ন নিলেও নাভির কথা বেমালুম ভুলে যাই। তাই তো নাভিতে নিয়ম করে পরিষ্কার রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। এ ক্ষেত্রে একটি ছোট তুলোয় জোজোবা, সূর্যমুখী অথবা আঙুর বীজের তেল কয়েক ফোঁটা নিয়ে নাভিতে ব্যবহার করতে পারেন। নিয়মিত এমন অভ্যাস করলে নাভিতে জমে থাকা ময়লা এবং মৃত কোষের স্থির ধুয়ে যায়। প্রসঙ্গত, খুব জোরে নাভিতে তুলো ঘষবেন না। এতে আপনি ব্যথা পেতে পারেন। তাই আলতো চাপ দিয়ে নাভি পরিষ্কার করাই সবথেকে ভাল।

৩. সংক্রমণ রোধে: সঠিকভাবে নাভির যত্ন নিলে সংক্রমণ দূর হয়। সবথেকে ভালো হয় তেল হিসাবে যদি টি ট্রি-তেল ব্যবহার করা যায়। কারণ এই তেলের মধ্যে জীবাণুনাশক এবং ছত্রাকনাশক উপাদান কয়েছে, যা ইনফেকশনের আশঙ্কা কমাতে দারুণভাবে সাহায্য করে। তবে নিত্যান্তই যদি টি ট্রি-তেল হাতের কাছে না পান, তাহলে কয়েক ফোঁটা সরষের তেলও একইরকম ভাবে ব্যবহার করতে পারেন। সরষের তেল ব্যবহার করতে হলে তিন ফোঁটা সরষের তেল, এক চা চামচ নারিকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। দিনে একবার থেকে দুবার এই তেলের মিশ্রণটি ব্যবহার করা যেতে পারে।৪. পেটের ব্যথায়: নিয়মত নাভিতে তেল মালিশ করলে পেটে ব্যথার সমস্যা দূর হয়। এ ছাড়াও হজমের সমস্যা, ডায়রিয়া, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে হওয়া পেটে যন্ত্রণা রোধ দারুনভাবে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, বমি বমি ভাব এবং গ্যাসের সমস্যা রোধ করতেও পেটে তেল মালিশ করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত, পেটে তেল মালিশের ক্ষেত্রে পুদিনার তেল অথবা আদার নির্যাসযুক্ত তেল ব্যবহার করা খুবই ভাল। তবে এই ধরনের তেল ব্যবহার করার আগে নারিকেল তেল, বাদাম তেল বা অলিভ অয়েলে মিশিয়ে নেওয়া উচিত।৫. ঋতুস্রাবকালীন যন্ত্রণা রোধে: মাসের নির্দিষ্ট দিনে ঋতুস্রাবকালীন যন্ত্রণা নারীদের এক বিভীষিকাময় অধ্যায়। এই সমস্যা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কীভাবে? পুদিনা তেল, সাইপ্রেস অথবা আদার তেল নিয়মত নাভিতে মালিশ করলে ঋতুস্রাবকালীন যন্ত্রণা অনেকটাই কমে।৬. সন্তানধারণে: নাভিতে নিয়মিত তেল লাগালে সন্তানধারণে খুবই উপকার হয়। সন্তানধারণের সঙ্গে নাভির ওতপ্রোত সম্পর্ক রয়েছে। কারণ জন্ম অবধি সন্তান তার মায়ের সঙ্গে নাড়ির দ্বারাই যুক্ত থাকে, যা নাভির সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে শুধুমাত্র নারী নয়, পুরুষদেরও সুস্থ থাকতে একইরকম ভাবে নাভিতে তেল ব্যবহার করা উচিত। এ ক্ষেত্রে নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সঙ্গে দামিয়ানা, ১০টি পেয়েরা পাতা, ১১টি জুনিপার মিশিয়ে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।প্রসঙ্গত, এই তেলটি ব্যবহার করলে পেটের যন্ত্রণা কমে। সেই সঙ্গে স্পার্ম কাউন্ট বৃদ্ধি পায় এবং ঋতুস্রাব কালীন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।৭. নাভিচক্র বজায় রাখতে: হাজার বছরের পুরোনো ভারতীয় আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে নাভির যত্নকে খুবই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আয়ুর্বেদিক মতে নাভি হল সৃষ্টি এবং কর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই কারণেই নাভিচক্র বজায় রাখতে তেলের ব্যবহার খুবই প্রয়োজন।নাভিকে সুস্থ রাখতে চন্দন তেল, গোলাপ তেল ইত্যাদিও ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও এগুলি অন্যান্য তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করাটাই সবথেকে ভাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *