শাশুড়ি-পুত্রবধূর দেহ ব্যবসা, হাতেনাতে ধরা

পুত্রবধূ ও শাশুড়ি দুজন মিলে রীতিমতো দেহ ব্যবসার আসর জমিয়ে বসেছিল। কিন্তু তাদের এই ব্যবসায় বাধা হয়ে দাঁড়াল পুলিশ। ইতোমধ্যে ওই দুই নারীকে আটক করেছে পুলিশ।ভারতের রাইপুরে এ ঘটনাটি ঘটেছে।দেহ ব্যবসার করার খবর পেয়ে গত রবিবার রাতে রায়পুরের কবীর নগরে হীরাপুর আরডিএ বিল্ডিংয়ে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই হাতেনাতে দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ২ নারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে কবীর নগর থানার অফিসার-ইন-চার্জ শিবানন্দ তিওয়ারি জানান, ওই দুই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।জানা যায়, ভাড়া বাড়িতে পুত্রবধূ এবং শাশুড়ি দুজনে মিলে এই দেহ ব্যবসার আসর জমিয়ে বসেছিল। বাহির থেকে মহিলাদের ডেকে এনে এবং কাস্টমার (পুরুষ) জোগাড় করে তারা এই ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।

সম্প্রতি ভারতের গোয়া রাজ্যেও এমনই দেহ ব্যবসার পর্দা ফাঁস করে গোয়া পুলিশ। এই কাছের সঙ্গে যুক্ত থাকার অপরাধে মোহাম্মদ ওমর আরিয়ান ও মোহাম্মদ আজমল হোডমান নামে ২ জন আফগান নাগরিক ধরা পড়ে। এর মধ্যে একজন আফগান সরকারের কমিউনিকেশন অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি মিনিস্ট্রি-র কর্মকর্তা৷

পুলিশ ইন্সপেক্টর নোলাসকো ব়্যাপোসো জানান, অভিযুক্ত মোহাম্মদ আজমল হোডমান মোহাম্মদ আজমল হোডমান একজন আফগান আইনজীবী। আরেকজন মোহাম্মদ ওমর আরিয়ান কমিউনিকেশন অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি মিনিস্ট্রির ইন্টারনাল অডিটের ডিরেক্টর। তাদের দুই জনকেই দেহব্যবসায় যুক্ত থাকায় হাতেনাতে ধরে পুলিশ। একইসঙ্গে উজবেকিস্তানের দুই নারীকে উদ্ধার করা হয়।তিনি আরও জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইপিসি-র বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেইসঙ্গে এই দেহব্যবসার কাজে আর কে কে যুক্ত রয়েছে তা নিয়েও অনুসন্ধানে চালাচ্ছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*