দুনিয়াতে যে কাজ করলে কখনো অভাব দূর হবেনা

ইসলাম ধর্ম মানব জীবনের সম্পূর্ণ বিধান । সকল কিছুর সমাধান এই ধর্মে আছে । মানব জীবন টা কিভাবে কাটাতে হবে , কিভাবে চলতে হবে , কোন পথে চললে মঙ্গল আর কোন পথে চললে অমঙ্গল সবই বলা আছে এই ইসলাম ধর্মে।

নিয়াতে অনেক মানুষ আছে যারা আল্লাহর হুকুম আহকাম পালনের ক্ষেত্রে অলসতা বা দেরি করে বা তা করার সময় হয়নি কিংবা পরে করবে বলে রেখে দেয়। এ সব বিষয়ে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে সতর্ক করেছমেআল্লাহ তাআলা ইবাদত-বন্দেগি ও তার বিধি-বিধান পালনে আগ্রহী ও অলসতাকারীদের জন্য সুসংবাদ ও কঠোরতা প্রকাশ করেছেন। হাদিসে কুদসিতে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এমন একটি ঘোষণাই এসেছে।


রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন-‘হে আদম সন্তান! আমার ইবাদতের জন্য তুমি নিজের অবসর সময় তৈরি কর ও ইবাদতে মন দাও; তাহলে আমি তোমার অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব এবং তোমার দারিদ্র্য ঘুচিয়ে দেব।

আর যদি তা না কর; তবে-তোমার হাতকে ব্যস্ততায় ভরে দেব এবং তোমার অভাব কখনোই দূর হবে না।’ (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ)

উল্লেখিত হাদিসের ঘোষণা অনুযায়ী যারা ইবাদত-বন্দেগিসহ যাবতীয় বিধি-বিধান পালনে নিজেকে তৈরি করবে; তাদের অন্তরকে আল্লাহ তাআলঅ প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেবেন এবং তাদের অভাব-অনটন দূর করে দিবেন।পক্ষান্তরে যারা নামাজ, রোজা, হজ, যাকাতসহ যাবতীয় ইবাদত-বন্দেগিসহ আল্লাহর বিধি-বিধান পালনে ব্যস্ততা দেখাবে; বা সময় হয় না বলে ইবাদত-বন্দেগিতে নিজেদেরকে পিছিয়ে রাখবে; তাদেরকে আল্লাহ তাআলা সব সময়ই ব্যস্ততায় রাখবেন এবং কখনোই তাদের অভাব দূর হবে না।

সুতরাং ইবাদত-বন্দেগিতে ব্যস্ততা বা তাড়াহুড়ো বা অলসেমি নয় বরং সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্দেষিত ও নির্ধাররিত ইবাদত যথাযথ পালন করে দুনিয়ার স্বচ্ছলতা ও স্বচ্ছন্দ্যপূর্ণ জীবন লাভের পাশাপাশি পরকালের সফলতা লাভ করা জরুরি।আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দুনিয়ার জীবনে ইবাদত-বন্দেগি ও বিধি-বিধান পালনের মাধ্যমে স্বাচ্ছন্দ্য ও স্বচ্ছলতা লাভ করার তাওফিক দান করুন। অবহেলা আলসেমি থেকে নিজেকে বিরত রেখে দুনিয়ার অভাব ও ব্যস্ততা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*