Published On: Sun, Jan 21st, 2018

এই শীতকালে দুধে হলুদ মিশিয়ে পান করলে কি হয় জানেন?

দুধে হলুদ মিশিয়ে পান করার পদ্ধতি নতুন কিছু নয়। প্রাচীনকাল থেকেই কাশি-ঠাণ্ডায় এবং ক্ষত সাড়াতে হলুদ-দুধ ব্যবহার করা হয়। অনেক ওষুধের বিকল্প তাই হলুদকে সুপারফুডও বলা হয়। তবে হলুদ-দুধের একটি গুন হয়তো অজানা। তা হলো ওজন কমানোর গুণ। হলুদ দুধ দ্রুত ওজন কমাতে সহায়তা করে। ভাবছেন কীভাবে?

মেটাবোলিজম বাড়ায়: হলুদের থারমোজেনিক প্রোপার্টি মেটাবোলিজম বাড়াতে সহায়তা করে। আদারই কাছাকাছি জাতের এই মশলাটিতে সোগাওল এবং জিনগারোল আছে যা মেটাবোলিজম বাড়িয়ে ক্যালরি পোড়াতে সহায়তা করে।

ডায়েটারি ফাইবার: হলুদে ডায়েটারি ফাইবার আছে যা ওজন বৃদ্ধি ব্যাহত করে এবং ফ্যাট কমাতে সহায়তা করে। আর দুধের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে পান করলে হলুদের কার্যকারিতা আরও বেড়ে যায়।

প্রোটিনের উৎস: ওজন কমাতে হলে শরীরে পর্যাপ্ত প্রোটিন সরবরাহ করা উচিত। দুধে প্রচুর প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম আছে। তাই ওজন কমানোর প্রক্রিয়ায় শরীরের মাংসপেশি এবং হাড় সুস্থ রাখার জন্য দুধ খাওয়া জরুরি।

হজমে সহায়তা করে: ওজন কমানোর সবচাইতে বড় বাধা হলো হজম সমস্যা। স্লিম হতে গিয়ে অনেক খাবারই বাদ দেয়া হয় ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়। হলুদ-দুধ এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী। নিয়মিত হলুদ দুধ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয় এবং হজমের সমস্যা দূর হয়।

ফ্যাট জমতে দেয় না: মানব শরীরের অ্যাডিপোজ টিস্যুর বৈশিষ্ট্য হলো ফ্যাট জমিয়ে রাখা। ফ্যাট জমিয়ে রাখার ফলেই ওজনাধিক্য দেখা দেয়। হলুদে আছে সারকিউমিন যা অ্যাডিপোজ টিস্যুকে ফ্যাট আহরণ করতে দেয় না। ফলে নিয়মিত হলুদ দুধ পান করলে শরীরে মেদ জমতে পারে না।

যেভাবে পান করতে হবে: কাঁচা হলুদের কার্যকারিতা গুড়া হলুদের চাইতে বেশি। তাই হলুদ-দুধ পান করার ক্ষেত্রে চেষ্টা করুন কাঁচা হলুদের রস ব্যবহার করার। মেদ কমানোর জন্য প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সঙ্গে হলুদের রস মিশিয়ে পান করুন। সেই সঙ্গে সুষম খাবার খান এবং পর্যাপ্ত হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করুন। খুব অল্প দিনেই দ্রুত ওজন কমাতে পারবেন আপনি।

Read also:

মাইগ্রেনের ব্যথা? রেহাই দেবে যেসব খাবার..

মাথা থাকলে ব্যথা হবেই। আর যদি হয় মাইগ্রেনের ব্যথা তবে তো কথাই নেই! ভুক্তভোগী মাত্রেই জানে এই মাইগ্রেনের ব্যথার তীব্রতা আর কষ্ট কতটা। অসহনীয় এই ব্যথা থেকে রেহাই পেতে আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটে থাকে।

মাইগ্রেনের ব্যথা বিরতি দিয়ে হয়। কিছু দিন হয় আবার কিছু দিন হয় না। বমি-বমি ভাব হয়, কখনো-কখনো ব্যথা হয় খুবই তীব্র। এই ব্যথায় আলো ও শব্দে স্পর্শকাতরতা তৈরি হতে পারে। তবে ভয় নেই। ডাক্তারী পরামর্শের পাশাপাশি কিছু প্রক্রিয়া মেনে, মাইগ্রেন ব্যথা থেকে পুরোপুরি আরোগ্য না হলেও অনেকটাই রেহাই পেতে পারেন।

কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। পাঠকের সুবিধার্থে নিচে এ বিষয়টা তুলে ধরা হলো।

কাঠবাদাম:
কাঠবাদাম দামে সস্তা হলেও এটি কিন্তু দারুন স্বাস্থ্য-হিতকর। কাঠবাদামের মধ্যে রয়েছে চর্বি, ম্যাগনেসিয়াম, ট্রিপটোফেন, অ্যামাইনো এসিড। একমুঠো কাঠবাদাম রক্তনালী ও পেশিকে শিথিল করে এবং মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে কাজ করে।

 

কলা:
অনন্য ফল কলা। কলার মধ্যে পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম ভরপুর রয়েছে। এই উপাদানগুলো মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে কাজে দেয়। কলা রক্তনালীকে শিথিল করে। ভালো ফলাফলের জন্য প্রতিদিন কলা খান।

ঝাল খাবার:
ঝাল খাবার বিশেষত মরিচের চা আপনাকে মাইগ্রেনের ব্যথায় অনেকটাই আরাম দেবে, ব্যথার তীব্রতা কমাবে।

পুদিনাপাতার চা:
প্রতিদিন পুদিনা পাতা মিশ্রিত চা খেলে মাইগ্রেনের ব্যথায় আক্রান্তের সম্ভাবনা কমবে অনেকটাই।

গোলমরিচ:
খাবার নিয়মিত গোলমরিচ মেশালে রসনায় তৃপ্তি তো আনবে, মাইগ্রেনের ব্যথায় অনেকটাই রেহাই পাবেন আপনি।

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

[X]