Published On: Sun, Jan 21st, 2018

জানেন রোজ ৩টি করে ডিম খেলে কী হবে – জানলে আজ থেকেই খাওয়া শুর করবেন

৩টি করে ডিম – কোলেস্টেরল বেড়ে যাবে। ওজন বাড়বে হু-হু করে। এই সব শুনে আপনি হয়তো ডিম খাওয়াই বন্ধ করে দিয়েছেন। তাই তো? গরম সেদ্ধ ডিম চোখের সামনে দেখেও নিজেকে সংযত করে ফেলছেন। ভুল করছেন। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। আপনি ভুল করছেন।

সাম্প্রতিক গবেষণা ও সমীক্ষায় চিকিত্‍‌সকরা যা বলছেন, তা আপনার ধারণার সঙ্গে একেবারেই মেলে না। জানেন কি? ভালো থাকার জন্য রোজ দুই থেকে ৩টি ডিম খাওয়া উচিত। ডিম কতটা শরীরের জন্য় উপকারী, সাম্প্রতিক গবেষণাই তার প্রমাণ।

১। হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায়,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুইসিয়ানার বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের গবেষণায় ১৫২ জন অতিস্থুল ব্যক্তিদের তিনটি গোষ্ঠীতে ভাগ করা হয়। এক গোষ্ঠীকে বলা হয়, ব্রেকফাস্টে যা ইচ্ছে তাই খেতে।দ্বিতীয় দলকে বলা হয়, ব্রেকফাস্টে দুটি করে ডিম খেতে। তৃতীয় গোষ্ঠীকে বলা হয় ব্যাগেলস খেতে। রেজাল্টে দেখা গিয়েছে, যাঁরা রোজ দুটি করে ডিম খেয়েছেন, তাঁরা বাকি দুই গোষ্ঠীর থেকে ৬৫ শতাংশ বেশি ওজন ঝরিয়েছেন ও ৩৫ শতাংশ পেটের মেদ ঝরিয়েছেন।

ডিমে থাকা প্রচুর পরিমাণ ওমেগা-৩ রক্তে থাকা ট্রাইগ্লিসারিড লেভেল কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। যার জেরে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে।২। প্রসবজনীত সমস্যার ঝুঁকি কমায়একটি ডিমে ০.৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন B9 থাকে, যাকে ফলিক অ্যাসিডও বলা হয়। গর্ভাবস্থায় শরীরে ফলিক অ্যাসিডের পরিমাণ কম হলে শিশুর সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম ঠিক মতো তৈরি হয় না। ফলে নার্ভের রোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।৩। বয়সকে ধরে রাখে/বার্লিনের বিখ্যাত হেল্থ সেন্টার Charité-র গবেষণা বলছে, ডিম ত্বকের বলিরেখা পড়তে দেয় না। ফলে বয়স বৃদ্ধিজনীত ত্বকের সমস্যা কমিয়ে দেয়। চামড়ায় উজ্জ্বলতা আনে। ত্বকের ক্যান্সারও রোধ করে। চিকিত্‍সা বিজ্ঞানীদের মতে, ডিমের কুসুমে প্রাকৃতিক হলুদ রং থাকে। ওই রঙে প্রচুর পরিমাণ ক্যারোটেনয়েড থাকে। যা ত্বককে উজ্জ্বল করে।

Read also:

মাইগ্রেনের ব্যথা? রেহাই দেবে যেসব খাবার..

মাথা থাকলে ব্যথা হবেই। আর যদি হয় মাইগ্রেনের ব্যথা তবে তো কথাই নেই! ভুক্তভোগী মাত্রেই জানে এই মাইগ্রেনের ব্যথার তীব্রতা আর কষ্ট কতটা। অসহনীয় এই ব্যথা থেকে রেহাই পেতে আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটে থাকে।মাইগ্রেনের ব্যথা বিরতি দিয়ে হয়। কিছু দিন হয় আবার কিছু দিন হয় না। বমি-বমি ভাব হয়, কখনো-কখনো ব্যথা হয় খুবই তীব্র। এই ব্যথায় আলো ও শব্দে স্পর্শকাতরতা তৈরি হতে পারে। তবে ভয় নেই। ডাক্তারী পরামর্শের পাশাপাশি কিছু প্রক্রিয়া মেনে, মাইগ্রেন ব্যথা থেকে পুরোপুরি আরোগ্য না হলেও অনেকটাই রেহাই পেতে পারেন।

কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। পাঠকের সুবিধার্থে নিচে এ বিষয়টা তুলে ধরা হলো। কাঠবাদাম:
কাঠবাদাম দামে সস্তা হলেও এটি কিন্তু দারুন স্বাস্থ্য-হিতকর। কাঠবাদামের মধ্যে রয়েছে চর্বি, ম্যাগনেসিয়াম, ট্রিপটোফেন, অ্যামাইনো এসিড। একমুঠো কাঠবাদাম রক্তনালী ও পেশিকে শিথিল করে এবং মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে কাজ করে।

 

কলা:
অনন্য ফল কলা। কলার মধ্যে পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম ভরপুর রয়েছে। এই উপাদানগুলো মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে কাজে দেয়। কলা রক্তনালীকে শিথিল করে। ভালো ফলাফলের জন্য প্রতিদিন কলা খান।

ঝাল খাবার:
ঝাল খাবার বিশেষত মরিচের চা আপনাকে মাইগ্রেনের ব্যথায় অনেকটাই আরাম দেবে, ব্যথার তীব্রতা কমাবে।

পুদিনাপাতার চা:
প্রতিদিন পুদিনা পাতা মিশ্রিত চা খেলে মাইগ্রেনের ব্যথায় আক্রান্তের সম্ভাবনা কমবে অনেকটাই।

গোলমরিচ:
খাবার নিয়মিত গোলমরিচ মেশালে রসনায় তৃপ্তি তো আনবে, মাইগ্রেনের ব্যথায় অনেকটাই রেহাই পাবেন আপনি।

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

[X]