জরিমানা গুনল ‘বড় বাপের পোলায় খায়’

পুরান ঢাকার চকবাজারের ইফতারি বাজারে অভিযান চালিয়ে ‘বড় বাপের পেলায় খায়’ দোকানের মালিক মো. হোসেনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভ্রাম্যমাণ আদালত। পোড়া তেল ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইফতারি তৈরি ও পরিবেশনের অভিযোগে তাঁকে এ জরিমানা করা হয়। এ সময় আরো পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ৯২ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। অন্য এক অভিযানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রামপুরার একটি দেশি সুপারশপকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করে। গতকাল সোমবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।গতকাল দুপুরে পুরান ঢাকার চকবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পা রাখতেই ব্যবসায়ীরা নিজেদের কিছুটা সংযত করার চেষ্টা করে। এ সময় ডিএমপির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মশিউর রহমান ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দলকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ইফতারিসামগ্রী যাচাই-বাছাই করতে থাকেন। এ সময় পোড়া তেল ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইফতারি তৈরি করার প্রমাণ পেয়ে ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ দোকানের মালিক ছাড়াও চকবাজার ইফতারি মার্কেটের মিম শাহি মোরগ পোলাও রেস্তোরাঁর মালিক আবুল কালামকে ১০ হাজার টাকা, ফুটপাতের ইফতারি দোকানদার শহীদকে ১০ হাজার টাকা, বিসমিল্লাহ কাশ্মিরি কাবাব অ্যান্ড বিরিয়ানির মালিক আবিদকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া পচা খেজুর বিক্রির দায়ে ফুটপাতের মোদাচ্ছেরকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের সময় দোকানে ঢুকতে বাধা দেওয়ায় আমানিয়া হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের মালিক আ. ছাত্তার সরদারকে তিন মাসের জেল দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ‘রমজান মাসজুড়ে চলমান ডিএমপির ভেজালবিরোধী অভিযান এরই মধ্যে সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছে। এ ভেজালবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।’এদিকে রামপুরার দেশি সুপারশপে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন আইটেমের বিদেশি চকোলেট, কসমেটিকসে ভরপুর। কিন্তু কোনোটার গায়েই লেখা নেই দাম বা আমদানিকারকের ঠিকানা। বিদেশি পণ্য হলেও সেখানে আমদানিকারকের নাম, দেশি টাকায় দামসহ সিল লাগানোর নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কোনো কিছু না থাকায় রামপুরার দেশি সুপারশপকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এই অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবুল জব্বার মণ্ডল এবং তদারকি করেন ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।মনজুর আহমেদ বলেন, অবৈধভাবে বিদেশি পণ্য বিক্রির দায়ে সুপারশপটিকে জরিমানা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সুপারশপে যে দই বিক্রি করা হচ্ছিল সেগুলোতে ওজন কম ছিল। এক কেজির কথা বলা হলেও দইয়ের পরিমাণ ছিল ৮০০ থেকে ৮৫০ গ্রাম।

এ সময় আবুল জব্বার মণ্ডল বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি যে পণ্যগুলো বিক্রি করছিল সেগুলো মূলত লাগেজে আনা মালামাল। কিন্তু সেগুলো এখানে বিক্রি করতে পারে না। বিদেশি পণ্য হলে অবশ্যই আমদানিকারকের সিল, দেশি টাকায় দাম লিখতে হয়। কিন্তু তারা সেটা করে নাই। এ জন্য জরিমানা করা হয়েছে।’উত্তরায় ১৩ প্রতিষ্ঠানকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানারাজধানীতে ভেজালবিরোধী পৃথক অভিযানে ১৩ প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৫ লাখ ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। র‌্যাব-১ ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এসব জরিমানা করে। এর মধ্যে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার রাখার অভিযোগে রাজধানীর উত্তরার কুশল সেন্টারের নিউ খাজানা রেস্টুরেন্টকে দেড় লাখ, হাংরি ডাক রেস্টুরেন্টকে আট লাখ, আলী বাবা সুইটসকে দেড় লাখ, হিমালয় রেস্টুরেন্টকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন র‌্যাব-১-এর ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল বিভিন্ন সময় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলমের নেতৃত্বে ওই রেস্টুরেন্টে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় সেখানে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার সংরক্ষণের প্রমাণ পায় তারা। এ ছাড়া রান্না করা খাবারের সঙ্গে পুরনো খাবার মিশিয়ে রাখারও প্রমাণ মেলে। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।

Read also:যারা সকাল বেলায় লেবুজল পান করেন, জেনে নিন তার ফলাফল কতটা মারাত্মক হতে পারে…লেবুজল পান করেন- অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা লেবুজল পান করার সময় চোখ মুখ কুঁচকে এক অদ্ভুত অভিব্যক্তি প্রকাশ করে থাকি। যদিও আমরা প্রায় সকলেই বিশ্বাস করি সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস লেবু জল পান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ভালো।লেবুর রস গরম জলের সাথে মিশিয়ে সেই মিশ্রণ সকালে এক গ্লাস খেলে আমাদের শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সহায়তা করে ।কোন সন্দেহ নেই এটি একটি অবাক করা পদ্ধতি যা সাম্প্রতিক আবিস্কৃত হয়েছে। এই পদ্ধতির গুণাবলীও বহুবিধ কিন্তু এই মিশ্রণ প্রস্তুতিকরনের ক্ষেত্রে একটি ভুল পন্থা অবলম্বন করা হয়ে থাকে।আপনিও সাবধান হোন, পরের বার এই মিশ্রণ তৈরির ক্ষেত্রে যাতে কোন ভুলচুক না হয়।সঠিক মিশ্রণ সেবন করুন ও উপকার পান ।সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে লেবু জল পান করা আমাদের শরীরের বহুবিধ উপকার সাধনে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়াতে সহায়তা করে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্যতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরের মেদ কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও এই পানীয়টি ঠান্ডা লাগা, জ্বর ও সর্দি কাশির হাত থেকেও আমাদের প্রতিরোধ করে।এই লেবুর জুস আমাদের শরীরে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ভিটামিনের জোগান দেয় এবং এর ফলে আমাদের স্বাস্থের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে ।তাই তো আমরা বলি প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস লেবু জল পান করুন কিন্তু তা তৈরি করার পদ্ধতি যেন সঠিক হয় ।ছবিতে দেখানো লেবু জল প্রস্তুতের পদ্ধতিটি ভুল আছে কারন এর মধ্যে লেমন পিল ব্যবহার করা হয়নি ।লেবুর টুকরো বা পিল পুরো ফলের সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশ তাই এটি ব্যবহার করুন।লেবুটিকে পিস পিস করে কাটুন এরপর সেগুলির রস বের করে জলের সাথে মিশিয়ে নিন, এছাড়াও রস বেরোনোর পরে লেবুর একটি থকথকে অংশ থাকে সেটিকেও লেবুর জলের সাথে মিশিয়ে দিন। মিশ্রণের জল যেন গরম হয়। এরপর ওই মিশ্রণ সেবন করুন ।তাই বলি সঠিক পদ্ধতিতে এই পানীয়টি প্রস্তুত করুন এবং তার উপকারিতা পান ॥