Published On: Sun, Jun 17th, 2018

ঘরোয়া ম্যাজিক ড্রিঙ্কস, মেদ ঝরাবে সঙ্গে বাড়বে ত্বকের উজ্জ্বলতাও

Share This
Tags

তাপমাত্রার পারদ বেড়েই চলেছে। এই গরমে শরীরচর্চার কথা বললে কার না মাথা গরম হয়! কিন্তু গরম বলে হাত পা ছাড়া দিলে ‘ওজন’ কি আর শুনবে সেকথা। আপন মনে সে বেড়েই চলবে। তাই শরীরচর্চা বাদ দিয়ে রোগা থাকার ফর্মূলা রইল আজ ডায়েটের খাতায়। আজের প্রতিবেদনে আপনাদের জন্য রইল এমন কিছু ম্যাজিক ড্রিঙ্কের নাম, যা খেলে ওজন তো বাড়বেই না আর ত্বকের ঔজ্জ্বল্যও বাড়বে বহুগুণ১. এই তালিকায় প্রথমেই নাম নিঃসন্দেহে জল। এই গরমে দিনে কম করে ৩ থেকে ৪ লিটার জল শরীরে যাওয়া আবশ্যক। জল শরীরের অতিরিক্ত টক্সিন বার করে দেন। তবে ত্বক ভালো থাকে।২. যা গরম পড়েছে তাতে লেবুর সরবতই গরমে সবথেকে উপকারী। তাই বাজার চলতি ঠান্ডা পানীয়রের বদলে লেবু সরবতের হাত ধরে চলুন এই গরমে পথ। তবে বরফ না মেশালেন ভালো।৩. পুদিনা পাতার সরবতও খেতে পারেন। প্রথমে পুদিনা পাতা সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখো। পরেরদিন তা ছেঁকে নিয়ে জলটা খান। এতে গরমে শরীর ঠান্ডা থাকে তো বটেই সঙ্গে মন-মেজাজও থাকে ফুরফুরে। আর মন ও স্বাস্থ্য ভালো থাকলে ত্বকে উজ্জ্জ্বলতা আসে এমনিতেই। সঙ্গে ভালো হজমও হবে।

৪. গরমে দুধ-চিনি দিয়ে কড়া চা খাওয়ার পাট চুকিয়ে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে ভরসা রাখো গ্রিন টি বা উলং টি-র ওপর। এই চা শরীরে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আনার পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। তবে খুব বেশি নয়। দিনে দু’বার গ্রিন টি খান।৫. গরমে প্রতিদিন ডাবেজ জল খাওয়ার চেষ্ঠা করুন। এমনিতেই গরমে ডাবের জল খেতে বলে ডাক্তাররা। তবে শুধু শরীরের হাজার-একটা রোগ উপসম নয়। ডাবের জল কিন্তু নিষ্প্রাণ ত্বকে প্রাণ ফেরায়।৬. অ্যালোভেরার জুস খেতে পারেন গরমে। অ্যালোভেরার শুধু ত্বকেত জন্যই ভালো তাই নয়! ওজন কমাতেও এর বেশ নাম ডাক। তাই অবশ্যই এই গরমে অ্যালোভারাকে বন্ধু করতে পারেন। বাজারে বিভিন্ন সংস্থার অ্যালোভেরা জুস পাওয়া যায়। আপনি চাইলে বাড়িতেও বানিয়ে নিতে পারেন।৭. যে কোনও টাটকা সবজির রস এই সময় খেলে যেমন আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে তেমনই স্কিনের উজ্জলতা বাড়বে তরতর করে।তা হলে আর অপেক্ষা কীসের। এই গরমে আপন করে নিনি এই ৭টি পানীয়। আর গরমের বিউটি কুইন হয়ে উঠুন আপনি।

Read also :

হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে খুব দ্রুত যা খাবেন- জানুন এবং শেয়ার করে রেখে দিন বিপদে কাজে আসবে 

হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে- হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে থাকা সম্ভব। উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য এমন সব খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে থাকবে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম।কারণ খাদ্যের এসব উপাদান উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়ক। কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাদ্য যেমন দই ইত্যাদিতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম।তাজা ফল যেমন আপেল, কলা আর শাকসবজি হচ্ছে পটাশিয়ামের ভালো উৎস। টমেটোতেও আছে বেশ পটাশিয়াম।বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদিতে।

১. কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই। ২. ফল ৪ থেকে ৫ সার্ভিং প্রতিদিন। টুকরো টুকরো করে কাটা আধা কাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা অথবা আধা কাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভালো। ৩. শাকসবজি প্রতিদিন প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকসবজির এক সার্ভিং মানে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধা কাপ রান্না করা শাক। ৪. দানা শস্য প্রতিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ পরিমাণ গোটা দানা শস্য। ৫. বিচি জাতীয় খাবার প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি।

[X]