Published On: Sun, Jun 24th, 2018

আঙুরের বীজে এত গুণ! জানতেন কি?

আঙুর খেতেও ভালো, উপকারিও বটে। এক দিকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন C তো রয়েইছে, তার সঙ্গে হাড়ের বিশেষ যত্ন নেয়। আঙুরের রস হার্টের পক্ষে অত্যন্ত ভালো। একই রকম ভাবে হার্টের পক্ষে ভালো রেড ওয়াইন। আঙুরের বীজও যে শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকারি তা জানেন কি? এর গুণ জানলে কাল থেকেই হয়তো আপনি এর ব্যবহার শুরু করবেন। সরাসরি আঙুরের বীজ চিবিয়ে খাওয়ার চেয়ে আলাদা করে গ্রেপ সিড এক্সট্র্যাক্ট পাওয়া যায়। সেটা ব্যবহারে বেশি ভালো ফল পাবেন। কেন? প্রথমত, সব আঙুরে বীজ থাকে না। দ্বিতীয়ত, আঙুরে উপস্থিত বীজের পরিমাণ এতটাই কম থাকে যে এক সঙ্গে প্রচুর আঙুর খেলে তবে আপনি তা থেকে প্রয়োজনীয় বীজ পাবেন। এক সঙ্গে অনেক আঙুর খাওয়াও ঠিক নয়। সারা বিশ্ব জুড়ে ওয়াইন তৈরির কারখানায় আলাদা করে এই বীজ সরিয়ে রাখা হয়। এটাকে ওয়াইনের বাই-প্রোডাক্টও বলা চলে। এক নজরে দেখে নিন, আঙুরের বীজে কী কী উপকারিতা রয়েছে।

১) দুরন্ত অ্যান্টি অক্সিড্যান্টস: শরীরে সব চেয়ে ক্ষতিকারক অক্সিড্যান্টস সরিয়ে দেয়। আমাদের শরীরে নানা সমস্যার সৃষ্টি করে এই অক্সিড্যান্টস। শরীরে ভিটামিন C-এর কাজ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায় এবং সাধারণ সর্দি-কাশি এবং ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ থেকে শরীর সুরক্ষিত থাকে। ২) ধমনী পরিষ্কার রাখে: এতে থাকা ফ্লাভোনয়েড শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল বার করতে সাহায্য করে। এটা যেমন আঙুরে থাকে, তেমন আঙুরের বীজেও থাকে। তবে কিছু দেশে আঙুরের বীজকে তেমন কার্যকর মনে করা হয় না। ৩) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, হাইপারটেনশন কমায়: এতে থাকা অলিগোমেরিক প্রোসায়ানাইডিনস ধমনী, শিরা-উপশিরাগুলিকে আরাম দেয়। যার ফলে শরীরে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর সঙ্গে সঙ্গে হাইপারটেনশন রোগীদের ক্ষেত্রেও ভীষণ উপকারি। সম্প্রতি আরও সবিস্তারে এ নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। ৪) এডেমা (EDEMA) কমায়: ডাক্তারি ভাষায় নাম এডেমা। তবে সাধারণ ভাবে বললে, অস্ত্রোপচারের পর বা কোনও গুরুতর জখম থেকে শরীর যখন ফুলে যায় তখন তাকে এডেমা বলে। দেখা গিয়েছে গ্রেপ সিডের প্রয়োগের ফলে এই ফোলা ভাব অনেকাংশে কমিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়। গবেষকরা এও দাবি করছেন, এর ফলে টিউমারের গ্রোথও কমে যায়।

৫) ডায়াবিটিস রোগীদের ক্ষেত্রে উপকারি: গ্রেপ সিড রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। শরীরে গুরুত্বপূর্ণ হরমোন ক্ষরণও নিয়ন্ত্রণ করে। ৬) অ্যান্টি এজিং: দীর্ঘ দিন বয়সের প্রভাবকে ঠেকিয়ে রাখতে পারে। এতে খুব ছোট এবং হাল্কা এক ধরনের মলিকিউল থাকে যা খুব সহজে আপনার ত্বকে মিশে যেতে পারে। এর প্রভাব খুব দ্রুত আপনি অনুভব করতে পারবেন। এতে উপস্থিত আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড (যা প্রায় সমস্ত বিউটি প্রোডাক্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়) আপনার ত্বককে নানা ভাবে সুন্দর করে তোলে। ৭) দ্রুত ক্ষত সারায়: আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড ত্বকের ওপর একটা আর্দ্রতার পরত তৈরি করে। তার ফলে ত্বকের ওপরকার ক্ষত সারিয়ে তোলে তাড়াতাড়ি। তার সঙ্গে গ্রেপ এক্সট্র্যাক্টযুক্ত ক্রিমের প্রয়োগে ক্ষতের দাগও দ্রুত মিলিয়ে যায়। পুনশ্চ: যাঁরা দীর্ঘ দিন ধরে কোনও রোগে ভুগছেন, নিয়মিত কোনও ওষুধ খান, তাঁরা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তবেই গ্রেপ সিড এক্সট্র্যাক্ট ব্যবহার করবেন।

Read also:

যারা সকাল বেলায় লেবুজল পান করেন, জেনে নিন তার ফলাফল কতটা মারাত্মক হতে পারে…

লেবুজল পান করেন- অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা লেবুজল পান করার সময় চোখ মুখ কুঁচকে এক অদ্ভুত অভিব্যক্তি প্রকাশ করে থাকি। যদিও আমরা প্রায় সকলেই বিশ্বাস করি সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস লেবু জল পান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ভালো।লেবুর রস গরম জলের সাথে মিশিয়ে সেই মিশ্রণ সকালে এক গ্লাস খেলে আমাদের শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সহায়তা করে ।কোন সন্দেহ নেই এটি একটি অবাক করা পদ্ধতি যা সাম্প্রতিক আবিস্কৃত হয়েছে। এই পদ্ধতির গুণাবলীও বহুবিধ কিন্তু এই মিশ্রণ প্রস্তুতিকরনের ক্ষেত্রে একটি ভুল পন্থা অবলম্বন করা হয়ে থাকে।আপনিও সাবধান হোন, পরের বার এই মিশ্রণ তৈরির ক্ষেত্রে যাতে কোন ভুলচুক না হয়।সঠিক মিশ্রণ সেবন করুন ও উপকার পান ।সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে লেবু জল পান করা আমাদের শরীরের বহুবিধ উপকার সাধনে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়াতে সহায়তা করে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্যতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরের মেদ কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও এই পানীয়টি ঠান্ডা লাগা, জ্বর ও সর্দি কাশির হাত থেকেও আমাদের প্রতিরোধ করে।এই লেবুর জুস আমাদের শরীরে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ভিটামিনের জোগান দেয় এবং এর ফলে আমাদের স্বাস্থের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে ।তাই তো আমরা বলি প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস লেবু জল পান করুন কিন্তু তা তৈরি করার পদ্ধতি যেন সঠিক হয় ।ছবিতে দেখানো লেবু জল প্রস্তুতের পদ্ধতিটি ভুল আছে কারন এর মধ্যে লেমন পিল ব্যবহার করা হয়নি ।লেবুর টুকরো বা পিল পুরো ফলের সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশ তাই এটি ব্যবহার করুন।লেবুটিকে পিস পিস করে কাটুন এরপর সেগুলির রস বের করে জলের সাথে মিশিয়ে নিন, এছাড়াও রস বেরোনোর পরে লেবুর একটি থকথকে অংশ থাকে সেটিকেও লেবুর জলের সাথে মিশিয়ে দিন। মিশ্রণের জল যেন গরম হয়। এরপর ওই মিশ্রণ সেবন করুন ।তাই বলি সঠিক পদ্ধতিতে এই পানীয়টি প্রস্তুত করুন এবং তার উপকারিতা পান ॥

[X]