Published On: Sun, Jun 24th, 2018

প্রচণ্ড মাথার যন্ত্রণাও সেরে যাবে শুধু আঙুলের চাপে, কীভাবে?

মাথা ধরাটা অনেকের কাছেই ব্যামো। যখন-তখন একটু স্ট্রেস বাড়লেই, মাথা যন্ত্রণায় ছিঁড়ে যায়। হাতের কাছে থাকা মুঠো মুঠো ওষুধেই স্বস্তি খুঁজতে হয়। আবার ব্যামো না-থাকলেও, কোনও একদিন হঠাত্‍‌ করে মাথা ধরতেই পারে। কোনও না কোনও কারণে। কিন্তু, যদি কোনও কারণে হাতের কাছে ওষুধ না-থাকে, তখন কী করবেন? তা ছাড়া, জানেন নিশ্চয়ই রোজ রোজ মাথাব্যথার ট্যাবলেট খাওয়াও সমীচীন নয়। তাই, কী করা উচিত আপনার? চিন্তা করবেন না। বিকল্প দাওয়াই কিন্তু রয়েছে আপনার হাতের কাছেই। যাকে বলে ‘আকুপ্রেসার’। এই আকুপ্রেসারের সাহায্যে মাত্র ৫ মিনিটে মাথাযন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি পান। আর কোনও ওষুধের প্রয়োজন নেই। এই ‘অ্যাকুপ্রেসার’ শব্দটির সঙ্গে আমরা অল্পবিস্তর সবাই পরিচিত। আকুপাংচার ও রিফ্লেক্সোথেরাপির এটি একটি রূপ। কিন্তু আকুপ্রেসারের জন্য আপনার বিশেষ মেডিক্যাল জ্ঞানের প্রয়োজন নেই, যেটা আকুপাংচারে লাগে। আকুপ্রেসারের কৌশল রপ্ত করাও সহজ। এখন প্রশ্ন হল, মাথা ধরার ক্ষেত্রে কীভাবে আকুপ্রেসারকে কাজে লাগাবেন?

প্রথমেই যেটা আপনাকে করতে হবে, আকুপ্রেসারের জন্য স্বস্তিদায়ক একটা জায়গা খুঁজে নিন। যেখানে চারপাশে উপদ্রব থাকবে না। এই আকুপ্রেসারের জন্য খুব বেশি সময় লাগে না। এক এক পয়েন্টে ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট পর্যন্ত ম্যাসাজ করলেই কাফি। এই ম্যাসাজও করতে হবে আলতো চাপে নয়তো সার্কুলার মুভমেন্টে। মাথাযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে ৫ থেকে ১০ মিনিট আকুপ্রেসারই যথেষ্ট।
মাথা ধরার হাত থেকে মুক্তি পেতে ৬টি মূল পয়েন্টে ম্যাসাজ করতে হবে ১. পয়েন্ট অফ থার্ড আই

এই থার্ড আই-এর পয়েন্টকে আকুপ্রেসারে বলা হয় Yintang। দুই ভ্রুর ঠিক মাঝখানে। নীচের ছবিতে দেখানো এই পয়েন্টে ৩০ সেকেন্ড চেপে ধরে, আস্তে আস্তে ছেড়ে দিন।

২. Zan Zhu পয়েন্টস

ভ্রু জোড়া যেখান থেকে শুরু হচ্ছে, সেই পয়েন্টিই হল Zan Zhu। দু-আঙুলে একসঙ্গে এই দুই পয়েন্টে এক মিনিট চেপে ধরে রাখুন। আবার ওই পয়েন্টিতে চাপ দিয়ে গোল করে ঘোরাতেও পারেন। নাক দিয়ে সর্দি গড়ালে, বা সর্দির জন্য নাক বন্ধ হয়ে গেলেও Zan Zhu পয়েন্টে আকুপ্রেসারে উপকার পাবেন।

৩. Yingxiang পয়েন্টস

নাসারন্ধ্রের নীচে, ঠোঁটের উপরের দুই প্রান্তে (ছবিতে দেখানো) রয়েছে এই পয়েন্টটি। স্ট্রেস কমাতেও এই পয়েন্টে চাপ দিতে পারেন।

৪. Tian Zhu পয়েন্টস

মাথার পিছনে, ঘাড়ের উপর দিকে রয়েছে এই পয়েন্টটি। যেখান থেকে স্পাইন শুরু হচ্ছে। মাথা ধরার হাত থেকে মুক্তির পাশাপাশি সর্দিতে নাক বন্ধ, চোখের যন্ত্রণা এমনকী কানে ব্যথা হলেও এই পয়েন্টে চাপ দিলে স্বস্তি মেলে।

৫. Shuai পয়েন্টস

 কানের লতির উপর দিকে, ছিদ্রের পাশদিয়ে কল্পিত সরলরেখা টানলে এই পয়েন্টটি পাওয়া যায়। এখানে আকুপ্রেলার টেম্পোরাল অঞ্চলে যন্ত্রণা দূর করে।

৬. He GU পয়েন্টস

বুড়ো আঙুল ও তর্জনির মাঝে, বুড়ো আঙুলের গোড়া ঘেঁষে রয়েছে এই পয়েন্টটি। ঘাড়ের পিছন দিকে যন্ত্রণা, পিঠে ব্যথা এমনকী দাঁতে ব্যথা করলেও এই পয়েন্টে চাপ দিন। স্বস্তি পাবেন।

Read also:

যারা সকাল বেলায় লেবুজল পান করেন, জেনে নিন তার ফলাফল কতটা মারাত্মক হতে পারে…

লেবুজল পান করেন- অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা লেবুজল পান করার সময় চোখ মুখ কুঁচকে এক অদ্ভুত অভিব্যক্তি প্রকাশ করে থাকি। যদিও আমরা প্রায় সকলেই বিশ্বাস করি সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস লেবু জল পান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ভালো।লেবুর রস গরম জলের সাথে মিশিয়ে সেই মিশ্রণ সকালে এক গ্লাস খেলে আমাদের শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সহায়তা করে ।কোন সন্দেহ নেই এটি একটি অবাক করা পদ্ধতি যা সাম্প্রতিক আবিস্কৃত হয়েছে। এই পদ্ধতির গুণাবলীও বহুবিধ কিন্তু এই মিশ্রণ প্রস্তুতিকরনের ক্ষেত্রে একটি ভুল পন্থা অবলম্বন করা হয়ে থাকে।আপনিও সাবধান হোন, পরের বার এই মিশ্রণ তৈরির ক্ষেত্রে যাতে কোন ভুলচুক না হয়।সঠিক মিশ্রণ সেবন করুন ও উপকার পান ।সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে লেবু জল পান করা আমাদের শরীরের বহুবিধ উপকার সাধনে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়াতে সহায়তা করে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্যতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরের মেদ কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও এই পানীয়টি ঠান্ডা লাগা, জ্বর ও সর্দি কাশির হাত থেকেও আমাদের প্রতিরোধ করে।এই লেবুর জুস আমাদের শরীরে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ভিটামিনের জোগান দেয় এবং এর ফলে আমাদের স্বাস্থের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে ।তাই তো আমরা বলি প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস লেবু জল পান করুন কিন্তু তা তৈরি করার পদ্ধতি যেন সঠিক হয় ।ছবিতে দেখানো লেবু জল প্রস্তুতের পদ্ধতিটি ভুল আছে কারন এর মধ্যে লেমন পিল ব্যবহার করা হয়নি ।লেবুর টুকরো বা পিল পুরো ফলের সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশ তাই এটি ব্যবহার করুন।লেবুটিকে পিস পিস করে কাটুন এরপর সেগুলির রস বের করে জলের সাথে মিশিয়ে নিন, এছাড়াও রস বেরোনোর পরে লেবুর একটি থকথকে অংশ থাকে সেটিকেও লেবুর জলের সাথে মিশিয়ে দিন। মিশ্রণের জল যেন গরম হয়। এরপর ওই মিশ্রণ সেবন করুন ।তাই বলি সঠিক পদ্ধতিতে এই পানীয়টি প্রস্তুত করুন এবং তার উপকারিতা পান ॥

[X]