হারানো শক্তি ফিরে পেতে কমলার কেরামতি, ১টা কমলা যথেষ্ট। জানলে অবাক হয়ে যাবেন, পড়ে নিন

হারানো মিলন শক্তি ফিরে পেতে কমলার কেরামতি, ১টা কমলা যথেষ্ট। জানলে অবাক হয়ে যাবেন, পড়ে নিন…
কমলা এক প্রকারের লেবু জাতীয় রসালো ফল। কমলা গাছের বৈজ্ঞানিক নাম পরিবারভুক্ত। কমলাকে ইংরেজিতে বলা হয়। কমলা একটি জনপ্রিয় ফল। এটি সরাসরি খাওয়া হয় এবং ফ্রুট সালাদে ব্যবহৃত হয়।কমলার গুণাগুণ জেনে নিনমলিকিউলার গবেষণায় প্রতীয়মান হয়েছে যে, জাম্বুরা, মাল্টা ইত্যাদি প্রাকৃতিক-শংকরায়িত সাইট্রাস ফলসমূহ কমলা থেকে উদ্ভূত; এবং কমলাই একমাত্র মিষ্টি স্বাদের আদি সাইট্রাস ফল। কমলার গাছটি আকারে বেশি বড় নয় – প্রায় ১০ মিটার (৩০ ফুট) উচ্চতা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

এর ডালপালাগুলি কণ্টকময়, এবং গাছটির পাতাগুলি চিরহরিৎ ও ৪-১০ সেমি দীর্ঘ। বাংলাদেশের সিলেট বিভাগে কিছু চাষ করা হয়। সুনামগঞ্জের ছাতকে উন্নতমানের কমলা হয়, তবে উৎপাদনের পরিমাণ বেশি নয়। কাচা অবস্থায় সবুজ এবং পাকলে কমলা রং হয়। কমলা গাছ খরা সহ্য করতে পারে, তবে এর ফল তা সহ্য করতে পারেনা। কমলা ফল ঠান্ডা আবহাওয়া সহ্য করতে পারেনা। এটি ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলে চাষযোগ্য।

শতগুণে সমৃদ্ধ ফল। কমলালেবু সম্পর্কে এই একটাই কথা খাটে। রূপে-গুণে, সুপার ফুড। কমলার কোয়াই হোক বা খোসা, সবেতেই পুষ্টির ভাণ্ডার। রোজ না খেলে, পস্তাতে হবে কিন্তু আপনাকেই! বলে শেষ করা যাবে না, এত গুণ কমলালেবুর। গোলগাল আকার। দেখতে খাসা। পুষ্টিগুণে তার চেয়েও কয়েক কদম এগিয়ে। শীতকাল তো একে ছাড়া, এররকম অন্ধকার।ভিটামিন সি, এ, ফ্ল্যাভনয়েড, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার। কী নেই কমলালেবুতে?

লজ্জাবতী লতার সমগ্র উদ্ভিদ ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এর আছে অনেক ঔষধি গুণ। ধারাবাহিক ভাবে তা আলোচনা করা হলো : মিথুন দন্ডের শৈথিল্য: লজ্জাবতীর বীজ দিয়ে তৈরি তেল লাগিয়ে আস্তে আস্তে মালিশ করলে তা দৃড় হয়।যৌনি ক্ষতে : যে কোন কারনে যনিপথে ক্ষত হলে, প্রথমিক স্তরে মাঝে মাঝে অথবা প্রায় রোজই অল্প স্রাব চলতে থাকে, একটা আশটে গন্ধ, কখনো বা একটু লালচে স্রাব হয়, এসব ক্ষেত্রে ‍চিকিৎসক সাবধান করে থাকেন, এটি পরিণামে ক্যান্সার হয়ে যেতে পারে ।এক্ষেত্রে দুধ-জলে ‍সিদ্ধ করা লজ্জাবতীর কাথ দিনে ২ বার খেলে এ রোগ উপশম হয়। একই সাথে লজ্জাবতীর ক্বাথ দিয়ে ডুশ দিলে বা যোনিপথ ধুলে তাড়াতাড়ি ক্ষত সেরে যায়।

আঁধার যোনি ক্ষতে : এ বিচিত্র রোগটি কৃষ্ণপক্ষে বেড়ে যায় আর শুক্লপক্ষে শুকাতে থাকে । এ ক্ষতটি হয় সাধারণত : হাটুর নিচে আর না হয় কুঁচকির দু’ধারে। এক্ষেত্রে গাছও পাতা ( মূল বাদে ) ১০ গ্রাম শুধু জল দিয়ে ক্বাথ করে খেতে হয় এবং ঐ ক্বাথ দিয়ে মুছতে হয়, ফলে অসুবিধা দুর হয়।
রমনে অতৃপ্তি : কয়েকটি সন্তান হওয়ার পর প্রসবদ্বারের শৈথিল্য হয়েছে , সেটার অনেকটা মেরামত করে দিয়ে থাকে এ লজ্জাবতীর ক্বাথের ডুশ নেওয়ায়, আর গাছের পাতা সিদ্ধ ক্বাথ দিয়ে তৈরি তেলে ন্যাকড়া ভিজিয়ে পিচুধারণ কারালে ( Vaginal এছাড়া অন্ডকোষের পানি জমা সারাতে পাতার পেস্ট ব্যবহার করা হয়।

হস্তমৈথন এর ক্ষতি পূরণ হিসাবে কি খাবার খেতে হবে?হস্তমৈথন এর ক্ষতি পূরণ হিসাবে কি খাবার খেতে হবে?প্রশ্নঃ হস্তমৈথন এর ক্ষতি পূরণ হিসাবে কি খাবার এবং কি ওষুধ খেতে হবে?আমি একাদশ শ্রেণির ১ম বর্ষের ছাএ।আমি ৫ বছর যাবত হস্তমৈথন করেছি। এখন এই অভ্যাস ছেরে দিয়েছি ২ মাস হয়েছে,এর ফলে যে ক্ষতি গুলো হয়েছে যেমন চোখে কম দেখা,শারিরীক স্বাস্থজনিত সমস্যা এমন কি নেটে পরেছি সন্তান জম্মদানে অক্ষম হয়।এই ক্ষতি পূরণে আমি কি ধরনের খাবার বেশি করে খাব এবং কি ওষুধ খেতে পারি।

উত্তর ১– আপনাকে বেশি বেশি পানি খেতে হবে।খাবারে সবজির পরিমান বাড়াতে হবে।পষ্টি কর খাবার খেতে হবে।এবং যদি আপনি নেকেট দেখে থাকেন তা পরিহার করতে হবে।ফল খাওয়াটাও প্রয়জন। ফল খেলে এর খতি পূরন হয়।উত্তর ২– আপনি হস্তমৈথুনের পরপর বেশি করে পানি খাবেন তাতে আপনি হস্তমৈথুন করে আপনার যতটা ক্ষতি হয় তা আবার সাথে সাথে পূরণ হয়ে যাবে।

উত্তর ৩– মধু ও কালিজিরা সর্বরোগের ঔষধ। আপনি মধু ও কালিজিরা একসাথে মিশিয়ে খান। ডিম,গরম দুধ,সবুজ শাকসবজী, প্রচুর পানি। এগুলো যৌন স্বাষ্থ্যের একমাত্র পথ্য। ওষধ বলবোনা এজন্যে যে এসব খাবার আপনার যে পরিমান উপকার করবে দুনিয়ার কোন ওষুধেই তা করতে পারবে না।