রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন, ভারত, রাশিয়া বাংলাদেশের পক্ষে নেই : দুদু

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যু সরকারের পুরোপুরি ব্যর্থতার কাহিনী। চীন, ভারত, রাশিয়াসহ কোন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে নেই।

আজ রবিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মাননবন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য করে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ভালো কাজ করলে আওয়ামী লীগ নয়, দেশের মানুষই আপনাকে সংবর্ধনা দিবে। লুট হওয়া ব্যাংকের টাকা ফেরত আনুন, শেয়ারবাজারের অর্থ ফিরিয়ে দিন, গুম হওয়া মানুষগুলোকে ফিরিয়ে দিন তাহলে দেশের মানুষ আপনাকে সংবর্ধনা দিবে।

মানববন্ধনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, কাদের গনি চৌধুরী, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Read also:

ছোট বোনকে ক্ষমতার কেন্দ্রে আনলেন কিম জং

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন তার ছোট বোনকে পার্টির গুরুত্বপূর্ণ পদে তুলে এনেছেন। শনিবার পিয়ংইয়ংয়ে দেশটির ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির সম্মেলনে ২৬ বছর বয়সী কিম ইয়ো জংকে পদন্নোতি দেয়া হয়। এতে দেশের রাজনীতিতে কিম পরিবারের নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার হলো।

উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পার্টি কয়েকজন কর্মকর্তাকে পদন্নোতি দিয়েছে যাদের মধ্যে কিমের ছোট বোনকে দলের নিয়ন্ত্রক কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরো সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই পরিষদের পার্টির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। এই পরিষদের প্রধান হলেন প্রেসিডেন্ট কিম জং উন।

কিম ইয়ো জং দলের প্রচারণা বিভাগের সহকারী ডিরেক্টরও। গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রক সংস্থা উত্তর কোরিয়ার আরো ছয় কর্মকর্তার সাথে কিম ইয়ো জংকে কালো তালিকাভুক্ত করে। তার বিরুদ্ধেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আছে।

 

ইয়ো জং তার ভাই জং-উনের সঙ্গেই ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডে পড়াশোনা করেন। এরপর তিনি দেশে ফিরে কিম ইল-সং মিলিটারি ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে পড়েছেন বলে ধারণা করা হয়।

গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে তার জন্য জং-উন পাত্র খুঁজছেন বলে জানা গেলেও এরপর বিয়ের আয়োজন হয়েছিল কিনা তা জানা যায়নি। তবে কথিত আছে, ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে এক সরকারি কর্মকর্তার ছেলের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল, এমনকি সে বছরের মে মাসে তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জনও ছড়িয়েছিল।

তাকে প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যায় ২০১০ সালে ওয়ার্কার্স পার্টির এক সম্মেলনে। ২০১৪ সালের নভেম্বরে তাকে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রচারণা বিভাগের উপ-পরিচালক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের মার্চ থেকে ইয়ো জং ওই বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কিম জং এবং কিম ইয় একই মায়ের সন্তান। তাদের সৎ ভাই কিম জং নাম গত ফেব্রুয়ারিতে মালয়েশিয়ায় রহস্যজনকভাবে মারা যায়। তার মৃত্যুর জন্য উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করা হলেও কিম জং-এর সরকার তা অস্বীকার করেছে। কিম জং নাম বেশ কয়েক বছর ধরে উত্তর কোরিয়ার বাইরে বাস করছিলেন। তিনি প্রায়ই কিম জং উনের সমালোচনা করতেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.